Clarendon Scholarship হল UK-র বিশ্ব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় University of Oxford কর্তৃক প্রদানকৃত একটি ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ। স্কলারশিপটি University of Oxford-এর গ্র্যাজুয়েট লেভেলে একটি মেজর স্কলারশিপ স্কিম যা সাধারণত Clarendon Fund-এর মাধ্যমে দেয়া হয়ে থাকে। সাধারণত ফুল-টাইম বা পার্ট-টাইম মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামে স্কলারশিপটি দেয়া হয়। ২০০১ সাল থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৫০০ জনেরও বেশি স্কলার এই স্কলারশিপটি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছে। বর্তমানে প্রতি বছর ১৪০-২০০ জন শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপটি পেয়ে University of Oxford-এ বিনামূল্যে মাস্টার্স ও পিএইচডি করার সুযোগ পাচ্ছে। বিশ্বের যেকোন দেশের যেকোন প্রান্তের শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবে। আবেদনের বিষয়ের ক্ষেত্রেও কোনো বাধা-নিষেধ নেই। স্টেম ও নন-স্টেমের সব সাবজেক্ট থেকেই Clarendon Scholarship-এ আবেদন করা যাবে।
আবেদনের যোগ্যতা, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া-
১। সম্পূর্ণ নতুন একটি ডিগ্রি প্রোগ্রামে আবেদন করতে হবে।
২। এই স্কলারশিপ প্রোগ্রামে পূর্বে আবেদন করে রিজেক্ট হয়েছে এমন প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবে না।
৩। চার বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে।
৪। এই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য আলাদাভাবে কোনো আবেদনের প্রয়োজন নেই। প্রার্থীকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করতে হবে। পছন্দমতো প্রোগ্রামে আবেদন করলেই স্কলারশিপের জন্যও প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
৫। স্কলারশিপের জন্য নির্বাচিত হতে হলে আগে আবেদনকৃত প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেতে হবে। তবেই স্কলারশিপটিও পাওয়া যাবে।
৬। এই স্কলারশিপটির জন্য খুব ভালো একাডেমিক প্রোফাইল থাকা লাগে। যাদের আন্ডারগ্রেডে ডিপার্টমেন্টে টপ রেজাল্ট থাকে, রিসার্চ প্রোফাইল ভালো, ভালো ভালো রিলেভেন্ট এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিজ থাকে তারা এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারেন।
৭। আবেদনের জন্য সাধারণত অতিরিক্ত কোনো কাগজপত্র লাগে না। গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করার সময় যা যা লাগে সেসব দেখেই অ্যাডমিশন কমিটি স্কলারশিপের জন্য সিলেক্ট করে ফেলে।
৮। প্রোগ্রাম অনুযায়ী যদিও কাগজপত্র ভিন্ন ভিন্ন চেয়ে থাকে, তবুও কমন কাগজপত্র যেগুলো সাধারণত লেগেই থাকে তার মধ্যে হল Academic Transcripts.
৯। Statement of Purpose (SOP).
১০। Research Proposal.
১১। Reference Letters ইত্যাদি।
১২। গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেলে প্রার্থীর কাগজপত্র স্কলারশিপ কমিটির কাছে চলে যায়। এরপর এই কমিটিই প্রার্থী স্কলারশিপের জন্য যোগ্য কিনা তা ঠিক করে।
১৩। প্রার্থী নির্বাচিত হলে সাধারণত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ইমেইল করে অফার লেটার পাঠিয়ে দেয়া হয়।
স্কলারশিপটির সুযোগ-সুবিধা-
১। স্কলারশিপটি ফুল টিউশন ফি কাভার করে থাকে।
২। লিভিং কস্টের জন্য অনেক ভালো এমাউন্টের স্টাইপেন্ড দেয়া হয়।
৩। যদি কোনো শিক্ষার্থী পার্ট-টাইম প্রোগ্রামে ভর্তি হয় তবে ফুল স্টাইপেন্ডের বদলে ‘Study Support Grant’ পায়। তবে এক্ষেত্রেও অনেকটাই লিভিং কস্ট কাভার হয়ে যায়।
৪। এছাড়া আরও অনেক ক্ষেত্রেই ছোট-বড় অ্যাওয়ার্ড পাবার সুযোগ থাকে।
৫। বিভিন্ন দেশ-বিদেশের অনেক স্কলারের সাথে নেটওয়ার্কিং করার মতো সুযোগ পাওয়া যায়।
স্কলারশিপ সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে স্কলারশিপের এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিংকে ভিজিট করুন-
https://www.ox.ac.uk/clarendon
https://www.ox.ac.uk/clarendon/information-for-applicants
UK-র অন্য ৪টি বিখ্যাত সরকারি স্কলারশিপ নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই ব্লগ লিংকগুলো থেকে-
GREAT Scholarships
Chevening Scholarship
Commonwealth Scholarship
Gates Cambridge Scholarship
Study in UK: Oxford University তে এডমিশন নিয়ে বিস্তারিত জানুন এই ভিডিওতে-
UK-র Commonwealth স্কলারশিপঃ মাস্টার্সে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডে পড়াশুনা-
UK-র শেভেনিং স্কলারশিপঃ স্কলারশিপ ডিটেইল, রিকুয়ারমেন্ট, প্রস্তুতি, স্কলারশিপ পাওয়ার টিপস-



















































































