দেশ থেকে টপ র্যাংকড বা আইভি লিগের ভার্সিটি গুলোতে এপ্লাই করে বা পড়াশুনার সুযোগ পায় সিকিভাগ লোকজন। যারা পড়েন তাদের সিংহভাগ লোক সেল্ফ-ফান্ডেড। কারণ হার্ভাড/এমআইটি/অক্সফোর্ডে এপ্লাই করার যে রিকুয়ারমেন্ট, সেগুলো বেশ টাফ (৩২০+ GRE, ৮+ IELTS, ৩.৭+ সিজিপিএ টাইপ)! তার উপরে এ ভার্সিটি গুলোতে বিশ্বের সব দেশের উচ্চবিত্তরা টাকা দিয়ে পড়তে রাজী থাকেন আর চেষ্টা করেন জাস্ট একটা এডমিশন ম্যানেজ করার। সো, সেগুলায় এডমিশন আর ফান্ডিং পেয়ে পড়তে পারাটা অনেক ভালো প্রোফাইল অথবা অনেক টাকা পয়সা ওয়ালাদের জন্য সহজ।যদি আপনি সে ক্যাটাগরির হন, তাহলে অবশ্যই এপ্লাই করবেন।
তুলনামূলক সহজ হলো মিড র্যাংকড/লোয়ার মিড বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলায় এডমিশন ও ফান্ড সিকিউর করা যায় একটু ভালো করে এফোর্ট দিলে। এভারেজ ৩০০-৩১০ জিআরই, ৬.৫-৭.৫, আইএলটিএস, সিজিপিএ ৩-৩.৫ এমন প্রোফাইল নিয়ে ফান্ড দিবে এমন ভার্সিটির সংখ্যাই কয়েক হাজার। তার মানে, এসব জায়গায় ফান্ড পেতে টপ নচের চেয়ে অনেক সহজ। তারপর ও ফান্ডের জন্য কিছু ব্যপার খেয়াল রাখলে ভালো-
১. যে ডিপার্টমেন্ট এ এপ্লাই করছেন সেটার ফান্ড আছে কিনা। থাকলে কি পরিমান
২. পিএইচডিতে নরমালি ফান্ডিং থাকে, কিন্তু মাস্টার্স এ করলে শিউর হয়ে নেয়া কারণ অনেক ভার্সিটিতে একই সাব্জেক্টে পিএইচডি ফান্ডিং থাকলে মাস্টার্স এ থাকেনা
৩. প্রফেসর/গ্র্যাড কোর্ডিনেটর কে জিজ্ঞেস করে রাখা যে ফান্ড এর জন্য আলাদা কোন এপ্লিকেশন আছে কিনা, নাকি এপ্লাই করলেই ফান্ডের জন্য বিবেচিত হবে
৪. পারলে শুরুতেই প্রোফাইল পাঠিয়ে ফান্ডের জন্য কতটা যোগ্য সেটা ট্যাকনিক্যালি জিজ্ঞেস করা
৫. বর্তমানে পড়ছেন এমন কারো কাছে ফান্ড নিয়ে ইন্টারনাল খোজ নেয়া।
৬. আপনার প্রোফাইলের সাথে মিলে এমন ২/৩ টা ভার্সিটিতে এপ্লাই করা যেগুলায় ফান্ডের পসিবিলিটি শতভাগের কাছাকাছি যেগুলোকে শিউর শট বলি।
টপে পড়াশুনার ইচ্ছে থাকলে এপ্লাই করতে পারেন তেমন প্রোফাইল বানিয়ে কিন্তু ক্লেভার শট হবে যদি সাথে মিড র্যাংকড ও থাকে। শুভকামনা সবার জন্য।


















































































