আমাদের অনেকের ধারণা যদি থিসিস না থাকে অনার্সে তাহলে বিদেশে এপ্লাই করা যাবেনা। অথবা রিসার্স বা কাজের অভিজ্ঞতা মাস্ট লাগে। কিন্তু আসলে এগুলার কোনটাই বাধ্যতামূলক কোন রিকুয়ারমেন্ট না এডমিশন এর জন্য। এমনকি এগুলা কোন কিছু ছাড়া ফুল-ফান্ড ও সিকিউর করা যায় অনায়াসে। আমাদের এইসব নিয়ে টেনশন করার দরকার নেই, অথচ কেন জানি বেশি করি!
থিসিস আর নন-থিসিস ব্যাচেলর ডিগ্রী নিয়ে প্রশ্ন পাই অনেক। কোনটা করলে এডমিশন এর ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। আসলে কোথাও আন্ডারগ্রেডকে এভাবে ক্যাটাগোরাইজ করা হয়না বা লিখা থাকেনা যে থিসিস করা হতে হবে। আবার অনেকে জিজ্ঞেস করে থিসিস এর কপি এডমিশন এর সময় দিতে হবে কিনা! একদমই না। মূল চাওয়া হলো ব্যাচেলর ডিগ্রী আর একটা মিনিমাম সিজিপিএ। এখন কেউ যদি থিসিস না করে, কিচ্ছু আসে যায়না। আর যদি কারও থাকে আর সেটার টপিক নিয়ে SOP তে কথা বলার সুযোগ থাকে, তাহলে বলতে পারেন। অথবা রেজুমির কোথাও দেখাতে পারেন আর না দেখালেও কিছু হবেনা। ভুলেও ফুল থিসিস পাঠানোর দরকার নেই। কারণ, আমার দেখা ব্যাচেলর এ যে থিসিস আমরা লিখি, সেটার মান যথেষ্ট না আবার অনেক সময় বিশাল কপি/পেস্ট থাকে এটা আপনার জন্য রিস্কি!
রিসার্চ অথবা যে কোন ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স থাকাটা ও জরুরি না। থাকলে বলতে পারেন, এগেইন রিজুমিতে দেখাতে পারেন যে আপনি এটা এটা করেছেন। তাও তখনই দেখানো ভালো যখন সেটাকে আপনি কোথাও রিলেট করতে পারছেন। নাহলে হয়তো দেখিয়ে খুব একটা লাভ নেই, তবুও আমি রেকমেন্ড করি রেজুমিতে এড করে দিতে যা যা কাজ করেছেন। আর অনার্স শেষ করে কয়েক বছর যদি জব করেন, তাহলে মাস্ট দিবেন, তাহলে ওনারা বুঝবে যে এ সময়ে আপনি কি করেছেন। আর আপনি ও বলতে পারবেন যে এত বছর পরে একটা মাস্টার্স বা পিএইচডি কেন করতে চাচ্ছেন।
মূলত যেগুলা ব্যাসিক রিকুয়ারমেন্ট, সেগুলায় যত পারেন ফোকাস করেন। সিজিপিএ, আইএলটিএস স্কোর, স্ট্যাটমেন্ট, রেকমেন্ডেশন, রিজুমি ইত্যাদিতে প্রচুর সময় দেন। অনার্স শেষ করে একদিন ও কোন চাকুরী না করে মাস্টার্স বা পিএইচডিতে আমেরিকায় অনেকেই আসছে। যাদেরকে আমরা ফ্রেসার বলে দেশে চাকুরীতে নেইনা, তারা এখানে পিএইচডি প্রোগ্রামে এসে বড় রিসার্চ করছে। তাই, যদি থিসিস বা কাজের অভিজ্ঞতা না থাকে, কোন সমস্যা নেই। ডু এপ্লাই।


















































































