বিদেশে আমরা যারা পড়তে আসি আর ফুল/হাফ ফান্ড পেয়ে পড়াশুনা করি, আমরা আসলে এদেশের গরীব ক্যাটাগরিতেই পড়ি। আমাদের যে ইনকাম এতে একদম নিন্মমধ্যবিত্তই বিবেচিত হই। বেশির ভাগ ভার্সিটি ফান্ড দেয় এমনভাবে যাতে জাস্ট খেয়ে পড়ে বাঁচা যায়। সে কারণে ফান্ড কত হবে এটা ডিপেন্ড করে কোন স্টেটে এবং সিটিতে ভার্সিটির লোকেশন কোথায় তার উপর। আরেকটা ইস্যু হলো হেলথ ইন্সুরেন্স। অনেক ভার্সিটি হেলথ ইন্সুরেন্স ফুল দেয় আবার অনেকে পার্শিয়াল পে করে। নিজেকে দিতে হলে সেটা ও মাসের খরচ থেকে দিতে হয়। আর মাস্টার্স এ ফান্ড পিএইচডি এর চেয়ে নরমালী কম হয়।
ধরেন, আপনার ভার্সিটি কম খরচের কোন স্টেট লাইক ওকলাহোমায় আর ভার্সিটি কোন রুরাল সেটাপে। তাহলে আপনার টাকা নির্ভর করবে সে এলাকার বাসা ভাড়ার এভারেজ, খাবার খরচের উপর। একটা স্ট্যানডার্ড ধরে দেয়া হয়। এ ভার্সিটিতে আপনাকে মাসে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ১২০০-১৩০০ ডলার দিলে একই স্টেটে সিটি সেটাপে আরেকটু বাড়িয়ে হয়তো ১৫০০ ডলার দিবে।
আর যদি ভার্সিটি হয় ক্যালিফোর্নিয়া, নিউ-ইয়র্কের মত কোন জায়গায়, তাহলে একই প্রোগ্রামে ফান্ড দিবে হয়তো ১৭০০-১৮০০ ডলার কারণ বাসা ভাড়া অনেক। এর বেশি ও দিতে পারে এলাকা ভেদে। কিন্তু হিসেব করে দেখা যাবে, যাকে যা দিচ্ছে তেমন খরচ হয়ে যাচ্ছে বা দিন শেষে ক্রেডিট কার্ডে ও বেশ খরচ হয়।
তাই, যারা ভার্সিটির ফান্ডের এমাউন্ট দেখে ক্যাল্কুলেশন করতে হবে। বাসা ভাড়া+ খাবার খরচ+ মোবাইল বিল+ ইন্টারনেট+ হেলথ ইন্সুরেন্স+ অন্যান্য।এগুলা মিলিয়ে দেখে চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে সে ভার্সিটিতে যাবেন না যাবেন না। বেশি খরচের কোন এলাকায় বেশি টাকা দেখে খুশি হয়ে অফার এক্সেপ্ট করার আগে এ ফ্যাক্টর গুলা ভাবুন। নাইলে পরে ফাইনেন্সিয়ালী বেশ ঝামেলা পোহাতে হবে।


















































































