যে ডিপার্টমেন্ট/সাব্জেক্টে পড়ে একজন জীবনে কিছু হবেনা বলে হতাশ হয়ে বসে থাকে, সে একই জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আরেকজন বেশ কনফিডেন্স এর সাথে অনেক কিছু করে ফেলছে। প্রথম জন ধরেই নিয়েছে দিন শেষে এ সাব্জেক্ট এ পড়ে সরকারি চাকুরী করা ছাড়া গতি নেই, সেখানে ২য় জন নিজেকে এমনভাবে গড়েছে যে তার ক্যারিয়ারে আন্ডারগ্রেডের সাব্জেক্ট কি ছিল এটা ম্যাটারই করছেনা। একটা বাস্তব উদহারন দিচ্ছি যাতে বুঝতে সহজ হয়।
আমার খুব পরিচিত এক ভাই ইসলামের ইতিহাসে পড়েছে ঢাবি থেকে। উনি অনার্সের শুরু থেকেই দেখতাম নিজের পছন্দে বিভিন্ন ভলান্টিয়ার অর্গানাইজেশন এ যুক্ত ছিল। সাথে ভালো নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনে ইন্টার্নশিপ/ভলান্টিয়ার করতো। অনার্স করার সময় আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর একটা প্রোগ্রামে এখানে পড়াশুনা করে যান ১ বছর। দেশে গিয়ে পড়াশুনা শেষে একটা ভালো জায়গায় জব শুরু করে আর তারপর কোরিয়ার বেস্ট স্কুল থেকে পাব্লিক পলিসিতে ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স করে এখন কোরিয়াতেই UN Body তে কাজ করে। নিজের ট্র্যাক চেঞ্জ করে তিনি এখন অ্যানালিস্ট। ওনার আন্ডারগ্রেডের সাব্জেক্ট কোথাও আটকিয়েছে বলে কি মনে হয়? অথচ ওনার ব্যাচেরই কত জন এখনো ভালো কিছু করতে পারছেনা জাস্ট সাব্জেক্টের দোহায় দিয়ে। ভাইয়ের সাথে কথা হলে বলে যে আন্ডারগ্র্যাড টা আরেক্টু ভালো সাব্জেক্টে হলে স্কোপ বাড়তো কিন্তু এখনো যেটা করছেন সেটা আমাদের অনেকের জন্য ড্রিম! উনি যেটা করছেন সেটা সে অনার্সের শুরু থেকে প্রস্তুতির একটা রেজাল্ট, হঠাৎ করেই তিনি ইউএন এ চলে আসেননি!
এমন উদহারন ভুরি ভুরি আছে। আমি নিজেই বেশ কয়েকজনকে চিনি যারা সাব্জেক্ট কে থোরাই কেয়ার করে নিজেদের পছন্দের জায়গায় অসাধারণ ক্যারিয়ার গড়েছেন। কে কিভাবে নিজের জায়গাটা ইভ্যালুয়েট করছেন আর প্ল্যান করে নিজেকে গড়ছেন, সেটাই সব কিছু নির্ধারণ করে দেয়। যে সাব্জেক্ট বা ভার্সিটি হউক, নিজেকে ছোট ভেবে কিছু করতে না পারার অনুভূতিটা না হউক। যে কোন একটা দিক ফোকাস করে এগিয়ে যেতে পারলে কাং্খিত ফলাফল আসবেই ইনশাআল্লাহ।


















































































