নতুন শহরে মুভ করার পর আমরা একজন বাংলাদেশি ডক্টরের খোজ পাই আর জানতে পারি যে বেশির ভাগ বাংলাদেশিরা ওনাকে প্রাইমারী কেয়ার ফিজিশিয়ান হিসেবে ওনাকেই দেখায়। শুরুতে আমি ওনার এপয়েন্টমেন্ট নেই আর দেখা করি। ভদ্রলোকের কথা বার্তা খুবই ভালো আর পজিটিভলি মোটিভেট করেন যেটা ডক্টরদের বিশাল একটা গুন।
তারপর মুনার জন্য আরেকজন PCP চেঞ্জ করে ওনার এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে দেখা করতে যসাময়িক আলাপের উনি জিজ্ঞেস করছিলেন কি কি সমস্যা ফেস করছো এখন। ও সব বলার পর আমি বললাম যে কয়েক মাস আগে ওর বাবা দুনিয়া ছেড়ে গেলেন আর এটা অনেক শকিং ছিল। উনি ইন্না-লিল্লাহ পড়লেন আর জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছিল! তারপর উনি বললেন, আমি কি একটু দোয়া করতে পারি ওনার জন্য?
বললাম ঠিক আছে। তারপরে উনি বিভিন্ন সুরা পড়া শুরু করলেন আর পরে দুরুদ পড়ে হাত তুলে কয়েক মিনিট দোয়া করলেন আমার শশুরের জন্য। খুব ভালো লাগছিল আচমকা এ ঘটনায়! কিছুক্ষণ আগে ওনার নাম শুনলো আর মৃতের জন্য দোয়া করলো। শেষ করে বললো, এটাই এখন সবচেয়ে বেশি দরকার।
মানুষ কখন কিভাবে কার দোয়া পায় এটা ভাবতেই অন্যরকম লাগছে। হয়তো ওনার আপন কেউ হাত তুলে এভাবে দোয়া করেনি কিন্তু অন্য একজন করছে। দোয়া করি, আল্লাহ ডক্টরকে ভালো রাখুক, নেক হায়াত দিক।
মে ২১, ২০২৪, মেমফিস, টেনেসি


















































































