Gates Cambridge Scholarship হল বিশ্বের অন্যতম একটি প্রেসটিজাস ফুল-ফান্ডেড ও ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ। UK-র বিখ্যাত University of Cambridge-এ এই স্কলারশিপ নিয়ে শুধুমাত্র পোস্টগ্র্যাজুয়েট লেভেলেই পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যায়। Bill & Melinda Gates Foundation কর্তৃক $২১০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নে ২০০০ সালের দিকে Gates Cambridge Scholarship প্রোগ্রামটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থীকে এই স্কলারশিপটি অফার করা হয়। সাধারণত মাস্টার্স ও পিএইচডি কোর্সগুলোতে স্কলারশিপটি দেয়া হয়। এক্ষেত্রে University of Cambridge-এর যেকোন বিষয়ে একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। UK বাদে বিশ্বের যেকোন দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবে। তবে এটি একটি বেশ প্রতিযোগিতাপূর্ণ স্কলারশিপ।
আবেদনের যোগ্যতাসমূহ:
১। এই স্কলারশিপের জন্য খুব ভালো একাডেমিক প্রোফাইল থাকতে হবে। বিশেষ করে অনেক ভালো সিজিপিএ আছে এমন শিক্ষার্থীরাই এই স্কলারশিপের জন্য ডাক পান।
২। যেই কোর্সে এডমিট হতে চাইছে সেই কোর্সের জন্য কেন সেই শিক্ষার্থী উপযুক্ত এটা প্রমাণ করতে হবে। PhD এবং MPhil লেভেলের শিক্ষার্থীদের আগে থেকেই সুপারভাইজারের সাথে কন্টাক্ট করতে হবে।
৩। লিডারশিপের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৪। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের মতো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ থাকতে হবে।
আবেদনের নিয়মাবলি এবং কাগজপত্র:
১। প্রাথমিক আবেদনের সব কাজ অনলাইনে স্কলারশিপটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে করতে হবে। এক্ষেত্রে কোর্স, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফান্ডিং এই তিনটির জন্য একসাথেই আবেদন করতে হবে।
২। প্রাথমিক আবেদনের পরে সিলেক্টেড শিক্ষার্থীদের ইন্টারভিউতে ডাকা হবে এবং ফাইনাল সিলেকশনের পরে মেইলের মাধ্যমে তা জানানো হবে।
৩। আবেদনের সময় Academic Transcript জমা দিতে হবে।
৪। CV দিতে হবে।
৫। কোর্সে উল্লেখ থাকলে সে অনুযায়ী Essay জমা দিতে হবে।
৬। এছাড়া কোর্সে উল্লেখকৃত বিভিন্ন টেস্ট স্কোরের (IELTS/TOEFL/GRE/GMAT etc.) ডকুমেন্টও জমা দিতে হবে।
৭। স্কলারশিপের জন্য স্পেসিফিক Gates Cambridge Statement লাগবে যেখানে শিক্ষার্থীকে বর্ণনা করতে হবে যে, সে কেন এই স্কলারশিপে আবেদন করছে এবং কীভাবে সে সিলেকশন ক্রাইটেরিয়াগুলো পূরণ করছে। এটার লিমিট হল 500 words অথবা 3000 character এর মধ্যে।
৮। পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য Research Proposal লাগবে।
৯। দুটি Academic Reference Letter লাগবে।
১০। ইংরেজি ভাষা দক্ষতার ক্ষেত্রে IELTS Score- 7.5 বা তার বেশি থাকা ভালো। অন্যান্য টেস্ট স্কোরের ক্ষেত্রেও এর সমমান থাকতে হবে।
স্কলারশিপটির সুযোগ-সুবিধা:
১। ফুল টিউশন ফি দেয়া হয়।
২। বছরে £২১,০০০ পাউন্ডের মতো স্টাইপেন্ড দেয়া হবে।
৩। যাওয়া-আসার খরচ।
৪। Dependent Allowance দেয়া হয়।
৫। পিএইচডি লেভেলে Fieldwork Allowance দেয়া হয়।
৬। Maternity/Peternity Support দেয়া হয়।
৭। Academic Development Allowance দেয়া হয়।
৮। এছাড়া যেকোন আকস্মিক সমস্যায়ও অর্থ সহায়তা পাওয়া যায়।
ডেডলাইন:
US স্টুডেন্ট ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যেই স্কলারশিপের আবেদন ও সিলেকশনের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে।
স্কলারশিপটি নিয়ে সকল ধরনের বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন এই লিংক থেকে-
বিশ্বের অন্যান্য স্কলারশিপগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই ব্লগ থেকে-
বিশ্বের বিভিন্ন স্কলারশিপ নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই লাইভ সেশনগুলো থেকে-
স্কলারশিপ নাইটঃ নর্থ আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ গুলো।
চীনে সরকারী স্কলারশিপ (ফুল-ফান্ডেড) নিয়ে কিভাবে পড়তে যাওয়া যায়?
Swedish Institute Scholarship কি?
Erasmus Mundus Scholarship: স্যোসাল সাইন্স ও আর্টসের স্টুডেন্ট দের সুযোগ
তুরস্কে সরকারী স্কলারশিপ (বুরসলারি) নিয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
Commonwealth স্কলারশিপঃ মাস্টার্সে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডে পড়াশুনা-
Study in USA as Fulbright Scholar
অস্ট্রেলিয়ার সরকারী স্কলারশিপ ‘অস্ট্রেলিয়া এ্যাওয়ার্ডস’ কিভাবে পাবেন?
ডাড স্কলারশিপ ও জার্মানীতে উচ্চশিক্ষা।
ব্রুনাই দারুসসালামে ফুল-ফান্ডেড সরকারী স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
জাপান সরকারের মনবুকাগাকুশো (MEXT) স্কলারশিপের প্রস্তুতি।
শেভেনিং স্কলারশিপঃ স্কলারশিপ ডিটেইল, রিকুয়ারমেন্ট, প্রস্তুতি, স্কলারশিপ পাওয়ার টিপস



















































































