জাপান সরকার এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সমন্বয়ে মাস্টার্স লেভেলের শিক্ষার্থীদের প্রদানকৃত একটি সরকারি স্কলারশিপ হল Joint Japan/World Bank Graduate Scholarship Program. এই স্কলারশিপের ফান্ডিং দেয় জাপান সরকার আর স্কলারশিপের সিলেকশন প্রসেস থেকে শুরু করে সকল প্রশাসনিক কাজগুলো করে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। স্কলারশিপটি শুধু মাস্টার্স লেভেলে দেয়া হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রফেশনালরা এই স্কলারশিপে বেশি সিলেক্ট হয়ে থাকেন। ১৯৮৭ সালে স্কলারশিপটি চালু করা হয় এবং সেই থেকে এখন পর্যন্ত ১৬০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ থেকে প্রায় ৭০০০ এরও বেশি শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপ নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪১টির মতো মাস্টার্স প্রোগ্রাম স্কলারশিপটির আওতাধীন রয়েছে। দেশের বাইরে মাস্টার্স করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য Joint Japan/World Bank Graduate Scholarship Program একটি সুবর্ণ সুযোগ।
যেসব সাবজেক্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপটির আওতাধীন-
নিচের দেশগুলোর ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপটির আওতাধীন। দেশগুলো হল-
- United States
- Europe (France, UK, Netherlands)
- Japan
- Africa
- Oceania
নিচে উল্লিখিত ফিল্ডগুলোর ৪১টি মাস্টার্স প্রোগ্রামে স্কলারশিপটি পাওয়া যাবে। ফিল্ডগুলো হল-
- Economic Policy Management
- Infrastructure
- Tax Policy
- Public Policy
- Sustainable Development
আবেদনের যোগ্যতা-
১। বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে এবং কোনোভাবেই অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব থাকা যাবে না।
২। ব্যাচেলর ডিগ্রি থাকতে হবে।
৩। Development রিলেটেড কোনো সেক্টরে ৩ বছরের ফুল-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৪। স্কলারশিপটির আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যেকোন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতে হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
১। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির জন্য অফার লেটার পেতে হবে। এরপর অফার লেটার পেলে অনলাইনে স্কলারশিপটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে স্কলারশিপের জন্য আবেদন ফরমের লিংক পাঠানো হবে। সেটা পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সিলেকশন হলে কমিটি থেকে ইমেইল করে জানানো হবে।
২। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ক্ষেত্রে প্রথমে লাগবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার।
৩। Academic Transcripts.
৪। CV/Resume.
৫। Proof of work experience.
৬। Two Professional Recommendation Letters.
৭। Personal Statement.
স্কলারশিপটির সুবিধাসমূহ-
১। পুরো টিউশন ফি দেয়া হয়।
২। মাসিক লিভিং স্টাইপেন্ড।
৩। যাতায়াত বাবদ সম্পূর্ণ খরচ।
৪। বেসিক মেডিক্যাল ইন্সুরেন্স।
ডেডলাইন এবং স্কলারশিপটি নিয়ে আরও অন্যান্য তথ্য জানতে পারবেন এই লিংক থেকে-
https://www.worldbank.org/en/programs/scholarships/jj-wbgsp
বিশ্বের অন্যান্য স্কলারশিপগুলো নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই ব্লগ থেকে-
বিশ্বের বিভিন্ন স্কলারশিপ নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন এই লাইভ সেশনগুলো থেকে-
স্কলারশিপ নাইটঃ নর্থ আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ গুলো।
চীনে সরকারী স্কলারশিপ (ফুল-ফান্ডেড) নিয়ে কিভাবে পড়তে যাওয়া যায়?
Swedish Institute Scholarship কি?
Erasmus Mundus Scholarship: স্যোসাল সাইন্স ও আর্টসের স্টুডেন্ট দের সুযোগ
তুরস্কে সরকারী স্কলারশিপ (বুরসলারি) নিয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
Commonwealth স্কলারশিপঃ মাস্টার্সে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডে পড়াশুনা-
Study in USA as Fulbright Scholar
অস্ট্রেলিয়ার সরকারী স্কলারশিপ ‘অস্ট্রেলিয়া এ্যাওয়ার্ডস’ কিভাবে পাবেন?
ডাড স্কলারশিপ ও জার্মানীতে উচ্চশিক্ষা।
ব্রুনাই দারুসসালামে ফুল-ফান্ডেড সরকারী স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
জাপান সরকারের মনবুকাগাকুশো (MEXT) স্কলারশিপের প্রস্তুতি।
শেভেনিং স্কলারশিপঃ স্কলারশিপ ডিটেইল, রিকুয়ারমেন্ট, প্রস্তুতি, স্কলারশিপ পাওয়ার টিপস



















































































