রমজানে সফল হওয়ার জন্য ৫ টি তন্ত্র
নিয়্যাত ও পরিকল্পনার পরে রমজানে আমলের কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের প্রথম রোজা শেষ আর অনেকের চলছে। ‘প্রোডাক্টিভ রামাদান’ বই থেকে সফলতার ৫ টি ব্যবহারিক পরামর্শ জেনে নেই যেগুলো আমাদের রমজানকে সফল করবে।
১| আল্লাহর কাছে চাওয়া:
যা পরিকল্পনা করলাম, সেটার সফলতা দিতে পারেন একমাত্র আল্লাহ। আমরা চেষ্টা করতে পারি সাধ্যমতো। আল্লাহ যেন সাহায্যে করেন, সেটার জন্য ওনার কাছে দোয়া চাওয়া অন্যতম কাজ। ইফতারের আগে, তাহাজ্জুদে বা রোজা অবস্থায় যে কোন সময়/মোনাজাতে আল্লাহর কাছে চাওয়া যেন উনি আমাকে কাজ গুলো করার তৌফীক দেয়, শারিরীক ও মানসিক শক্তি এবং সুস্থতা দান করেন।
২| আগেভাগে শুরু করা:
রমজান শুরুর আগেই যা করতে চান সে কাজ গুলা টুকটাক শুরু করে অভ্যাসের মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে আমল করা সহজ হয়। রমজান শুরু হয়ে গিয়েছে, দেরী না করে প্রথম রোজাতেই শুরু করে দিই। যেমন:কুরআন পড়ার অভ্যাস না থাকলে রেগুলার ১ পেইজ করে পড়ার অভ্যাস।
৩| রিভিউ/রিপোর্ট:
একটা ওয়ার্ড/এক্সেল অথবা একটা খাতায় টালি একে কাজ গুলা লিখে ফেলুন। পাশে ডেট আর কাজ হয়েছে কিনা সেটা ট্র্যাক করার ঘর।। প্রতি সপ্তাহে চেক করা যে কতটুকু প্রগ্রেস হলো। ট্র্যাক করলে কাজ ভালো হবে শিউর।
৪| সাহিব:
এ জার্নিতে একজনকে সংগী হিসেবে নেয়া। তার সাথে প্ল্যান শেয়ার করবেন আর প্রগ্রেস চেক করবেন। সে হতে পারে ভাই/বোন, স্বামী/স্ত্রী অথবা বন্ধু বা দ্বীনি ভাই। সপ্তাহে একদিন কথা বলবেন যে কাজ কেমন আগাচ্ছে। এক্সটারনাল রেস্পন্সিবিলিটি বেশ হেল্প করে।
৫। সাইন/ স্বাক্ষর:
প্ল্যানটা যেখানেই লিখেন, নিচে এটা পূরণে আপনার প্রচেষ্টার কথা লিখে সাইন দিন। এটা নিজের সাথে করা একটা কমিটমেন্টের মত কাজ করবে। আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা যোগাবে পুরা মাস জুড়ে। মাস শেষ হওয়ার আগে মৃত্যু এসে গেলেও আল্লাহ পুরাটার সাওয়াব দিবেন ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে বলবো, এ উপায় গুলো ফলো করে এক সপ্তাহ দেখুন কি ফলাফল হয় বা কাজ করছে কিনা! না করলে আর কি পদ্ধতি অনুসরণ করা যায় সেটা খুজুন। মূল কথা হচ্ছে, এ রমজানকে হেলায় কাটাতে দেয়া যাবেনা আর লাইফের বেস্ট রামাদান হিসেবে আমরা পালন করার চেষ্টা করবো। আল্লাহ তাওফিক দিন
১ম পর্ব পড়তে পারেন এখানে



















































































