বহু বছর আগে কোন এক সময় একজন কাছের সিনিয়র ভাইয়ের একটা কথা সবসময় মনে থাকে। বিশেষ করে যখন কেউ অন্যকে ছোট করার চেষ্টা করে অথবা কি করতে পারবে বা পারনে না এসব নিয়ে ডাউট দেয়।
তিনি বলেছিলেনঃ ‘কুয়োর ব্যাঙ কখনো সাগর চিন্তা করতে পারেনা, কারণ তার জগতটাই কুয়োর মধ্যে সীমাবদ্ধ। যখন তিনি তোমার ক্যাপাসিটি নিয়ে কথা বলছে বা তোমার ভবিষ্যৎ ও এ কুয়াতেই দেখছে৷ তখন তিনি ওনার সে অতটুকু কুয়ার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছে। তাই, তুমি সাগর ভাবতে পারলে সাগরেই যাবা, কুয়ার কারো কথা শুনে নিজেকে থামিয়ে রেখোনা”!
এ ক্লাশের মানুষের কোন অভাব নেই। একটা আইডিয়া শেয়ার করে দেখেন, সাথে সাথেই বলবে আরেহ এটা তোরে দিয়ে হবেনা। বলেন যে আমি এটা হতে চাই, বলবে তোর চৌদ্দ গুষ্টিতে কেউ হইসে? তোর সে মেধা বা যোগ্যতা আসবে কোত্থেকে? বাপ-দাদা যা করসে, সেটাই কর! ব্যাস, এভাবে দমে যাবেন আপনি আর মনে হবে আসলেই তো, আমি আর কি পারবো!
তাই, যদি লাইফ বা ক্যারিয়ার প্ল্যানিং নিয়ে কারো কাছ থেকে পরামর্শ চান, আগেই ভাবেন যে তার সাথে শেয়ার করা উচিৎ কিনা! নাকি, তিনি কুয়োতেই থাকেন।
আরেকটা ক্লাশ হলো হিংসুক। তিনি হয়তো সাগরেই থাকেন, কিন্তু চান বাকী সবাই কুয়োতেই থাকুক। তারে জিজ্ঞেস করলে ও একই উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সাজেসান্স চেয়ে বা বড়/ছোট কোন প্ল্যান শেয়ার এমন কোন ফিডব্যাক পেলে একদমই দম হারিয়ে ফেলার কিছু নেই। আপনি পারবেন কিনে এটা নিজে জানলে এ কথা গুলোকে থোরাই কেয়ার করে এগিয়ে যেতে পারবেন। কারণ, নিজের ক্যাপাসিটি সম্পর্কে নিজের চেয়ে বেশি আর কেউ জানবেনা এমনকি সেটা আপনার জন্ম দেয়া পিতা মাতা হলেও। সো, ট্রাস্ট অন ইউ 🙂



















































































