অনেকে এক সাব্জেক্টে অনার্স করার পর এক সময় গিয়ে মনে হয় যে সে সাব্জেক্ট আসলে ভালো লাগছে না। বরং নিজের আগ্রহ অন্য কোন জায়গা বা অন্য সাব্জেক্ট পড়লে ভাল লাগতো। দেশে যেহেতু পড়াশুনার মাঝে ছেড়ে দেয়ার সুযোগ নেই, তাই, দেশেই বা বাইরে নিজের পছন্দের সাব্জেক্টে মাস্টার্স করার সুযোগ থাকে। কিন্তু সমস্যা হলো বিদেশের ভার্সিটিতে এডমিশন নিতে হলে সে সাব্জেক্টে ইন্টারেস্ট দেখানোর জন্য রিলেটেড কিছু থাকলে সেটা বেটার।
যদি পছন্দের সাব্জেক্ট একদমই অনার্সের সাব্জেক্ট থেকে আলাদা হয় তখন ঝামেলা বেশি। যেমন- পড়াশুনা করেছেন বাংলা সাহিত্যে কিন্তু এখন কম্পিউটার সাইন্স বা আইটি তে পড়াশুনা করতে চান! অনেকেই ভাববেন হয়তো সম্ভবই না এমন চেঞ্জ কিন্ত বাস্তবতা হলো আইটিতে কেন পড়তে চান সেটার প্রোপার ব্যাকগ্রাউন্ড বানাতে পারলে আর সেটাকে স্ট্যাটমেন্টে দেখাতে পারলে হয়।
যেভাবে পছন্দের সাব্জেক্টের জন্য নিজের প্রোপার ব্যাকগ্রাউন্ড বানানো যায়:
১.নিজ আগ্রহে নতুন সাব্জেক্ট নিয়ে শেখা যেখান থেকে সম্ভব
২.Coursera/Edx থেকে রিলেটেড কোর্স করা। সার্টিফিকেট গুলো কাজে দিবে
৩.কোথাও ৬ মাসের সার্টিফিকেশন কোর্স থাকলে ফিজিক্যালি গিয়ে করা যায়। খুব ইফেক্টিভ হয় এমন সার্টিফিকেশন
৪.রিলেটেড কাজ করে এমন কোথাও ইন্টার্নশিপ করা
৫.নিজের শেখা স্কিল গুলো কাজে লাগিয়ে কোথাও ছোট-খাট জব ম্যানেজ করার ট্রাই করা
৫.সে সাব্জেক্ট রিলেটেড কিছু না কিছু লিখার চেষ্টা করা। যেমন- পত্রিকায়
৬.সাব্জেক্ট রিলেটেড কোন ভলান্টিয়ার অর্গানাইজেশন এ জয়েন করা
৭.SOP তে উপরে যা যা করবেন সেগুলা লিখে সে সাব্জেক্টের প্রতি ভালোলাগা প্রমাণ করা আর সাথে পড়াশুনা শেষে কিভাবে নিজের ক্যারিয়ার এদিকে গড়বেন সেটা বুঝিয়ে বলা
একদম কিছু না থাকার চেয়ে এমন কিছু থাকলে এডমিশন কেন, বাকী প্রোফাইল ভালো থাকলে ফুল ফান্ডিং মেলা ও সম্ভব। তো, যারা ভাবছেন চেঞ্জ করবেন, তারা প্রস্তুতি শুরু করুন আজই।
#taninzaid #higherstudyhelp #taninzaidblogs



















































































