মানুষের যত খারাপ দোষ আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে মায়া লাগে তাদের জন্য যারা অন্যের ভালো কিছুতে ‘হিংসা’ করে। দুনিয়ার তাবত মানুষ জীবনে ভাল করবে আর হিংসুক হিংসা করে মরবে যে ওমুকে ভাল করল কেন আর আমি কেন পারলাম না! অনেক সময় নিজে ভালো অবস্থায় থাকার পর ও অন্যের ভালো অবস্থান দেখলে হিংসায় গা জ্বালাপোড়া করে। কি অদ্ভুত না! মায়াটা লাগে এ জন্যই যে সে তো এ হিংসা দিয়ে তার আশে পাশের মানুষের উন্নয়ন থামাতে পারবেই না বরং আজীবন ভেতরে জ্বলে পুড়ে একটা কষ্টের জীবন কাটিয়ে মরে যাবে! এ কষ্টের জন্য কেউ তারে কিছুই বলা বা ঝগড়া করা লাগছেনা। এ জন্যই মায়াটা লাগে যে সলো প্রসেসে অটো কষ্ট পায় হিংসুক রা।
হিংসে-ইর্ষা আমাদের ভেতরে ইন-বিল্ট দেয়া। কেউ চেক দিতে পারে আবার কেউ পারেনা। আমি যেভাবে চেক দেয়ার চেষ্টা করিঃ
১. ভেতরটা অনেক বড় করতে পারলে হিংসা থেকে বেচে যাওয়া যায়। আমি ভাবি, নিজেতো আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি (এটা বুঝতে যারা এর চেয়ে খারাপ আছে, তাদের দিকে তাকালেই হয়)। শুকরিয়া করি যা আছে সেটার জন্য।
২. আর অন্য কেউ বড় হলে,ভালো কিছু করলে খুশি লাগে আর দোয়া করি আরো বড় হউক। এটা করতে পারি, কারণ মনে হয় অন্যের অবস্থানের সাথে নিজেকে তুলনা করে লাভ নেই, যে যেখানে পৌছানোর, সেখানে পৌছাবেই। আমি হিংসে করলে ও যাবে না করলেও যাবে।
৩. তারচেয়ে তার জন্য দোয়া করি আর জানি যে অন্যের জন্য ভালো চাইলে সেটা নিজের জীবনেও ঘটে।
এইতো। সিম্পল টেকনিক বাট ইফেক্টিভ। হিংসে না একে অন্যের জন্য দোয়া/ আশীর্বাদই কাম্য।



















































































