আমি পারিনা, আমাকে দিয়ে হবেনা, সুখ নাই আমার কপালে, ধন-সম্পদ আমাদের বংশে কারো হবেনা, আমি কম মেধাবী, আমার যোগ্যতা কম, আমি জানি আমার জীবন কষ্টে যাবে, বিয়ে করলে বউ নিয়ে হ্যপি থাকবোনা, আমার কপাল সবসময়ই খারাপ…… এমন সব ধারণা আমরা নিজেদের ব্যপারে প্রতিনিয়ত পোষণ করি। যে কোন কিছুই না পেলে অল্পতেই এসবের দোহাই আর কপালের দোষ দিয়ে চুপ করে যাই। এ ভাবনা গুলো কি করছে আমাদের জীবনে কোন ধারণা আছে?
নিজেদের ব্যপারে এ ধারণা গুলোই আমাদেরকে সে খারাপ অবস্থায় ফেলে। ভবিষ্যত নিয়ে নেগেটিভ ভাবনাই আমাদেরকে সে খারাপ জায়গায় পৌছিয়ে দেয়। নিজেদের ব্যপারে সারাদিন জপে যাওয়া মানুষটাই দিন শেষে আমরা৷ কারণ, সাব-কন্সাস মাইন্ড আমাদের ভাবনার দিকেই নিয়ে যায়। আমরা যা ভাবি আর নিজেদের ব্যপারে বিশ্বাস করি, সেটি পাইয়ে দেয়াই আমাদের সাব-কন্সাস মাইন্ডের কাজ৷ সেটি ভাল অথবা খারাপ। কিছুটা অবাক লাগলেও এটিই সত্য যে, সারাদিনের কাজের ৮০ ভাগের বেশী সম্পাদন করে এ আজব জিনিস।

আমরা কোন খারাপ কিছু হলে বলি, আমি জানতাম যে এটা হবে, মনেই হচ্ছিলো এমন কিছু ঘটবে না মাথার ভেতর ঘুরছিল যে খারাপ ব্যপারটা ঘটবে।অথবা যখন কিছু করতে চান, তখন আপনি নিজেই ভাবেন যে মনে হয় আমি পারবো না, অনেক কঠিন, এটা আমার পক্ষে সম্ভব না। এ ভাবনা গুলো আপনার অবচেতন মনে ইফেক্ট ফেলে আর না পাওয়ার দিকেই নিয়ে যায়। অনেকেই নিজের জীবন নিয়ে হতাশায় ভোগেন শুধুমাত্র নিজের খারাপ চিন্তা গুলোর কারণে। ধরেই নেন যে জীবনে বা ক্যারিয়ারে ভালো কিছু সম্ভব না, কারণ আমার এটা ওটা নেই। অথচ আরেকজন পজিটিভ চিন্তা নিয়ে অনেক কিছু না থাকার পর ও একই জিনিস অর্জনে সক্ষম হয়! এ পারা আর না পারা গুলো আমাদের চেষ্টার পাশাপাশি আমাদের অবচেতন মনের চিন্তা, পজিটিভ বা নেগেটিভ ভাবার উপরে ও নির্ভর করে।

তাই, নিজের বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য শুধুমাত্র ভালো-ভালো-অনেক ভালো কিছুই ভেবে যাওয়া দরকার। পজিটিভ ভাবনা গুলোই আমাদের পজিটিভ জায়গায় পৌছে দিবে৷ নিজের ভাবনা গুলোকে ১০০℅ পজিটিভ ডিরেকশনে চালান। বিশ্বাস করুন যে সব ভাল কিছু আমার সাথেই হবে। সব না পাওয়া গুলো পাওয়া হবে। সুখ, সমৃদ্ধি, সম্পদ, সুস্বাস্থ্য সবই পাবো। এ বিশ্বাস আর চিন্তাই সব পাইয়ে দিবে৷ ধীরে ধীরে। অদ্ভুত না? যা বললাম এতক্ষণ তা খুব বেশি না বুঝলেও জাস্ট এখন থেকে নিজেকে নিয়ে, নিজের সব কাজ, ভবিষ্যৎ চাওয়া গুলোর মধ্যে নেগেটিভ কিছু মাথায় আনবেন না। যদি নেগেটিভ আসে, মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিবেন। আর পজিটিভ টাই ভাববেন। রেজাল্ট টা ধীরে ধীরে দেখতে পাবেন নিজের জীবনেই।
এ ব্যপার টা আমার কাছেও অদ্ভুত ও আজাইরা মনে হত। কিন্তু একটা বই পড়ে আর প্র্যাক্টিস করে নিজে উপকার পেয়েছি৷ ‘দ্যা পাওয়ার অফ ইউর সাবকন্সাস মাইন্ড’ বইটি লিখেছেন ডঃ জোসেফ মারফি নামক একজন ধর্মাযাজক।অনেক গুলো প্র্যাক্টিক্যাল উদহারন আছে এ বইতে৷ অনুবাদ পাবেন রকমারি.কম এ। পড়েন, বিশ্বাস করেন আর প্র্যাক্টিস করেন। ভালো কিছু পাবেনই। 🙂



















































































