
সব ডক্টর গুলা যদি এমন হতো!
নতুন শহরে মুভ করার পর আমরা একজন বাংলাদেশি ডক্টরের খোজ পাই আর জানতে পারি যে বেশির ভাগ বাংলাদেশিরা ওনাকে প্রাইমারী

নতুন শহরে মুভ করার পর আমরা একজন বাংলাদেশি ডক্টরের খোজ পাই আর জানতে পারি যে বেশির ভাগ বাংলাদেশিরা ওনাকে প্রাইমারী

Application Requirements: 1. Minimum Undergraduate CGPA 3.00 out of 4.00 scales. 2. Official Academic Transcript (evaluated by NACES) 3. Minimum

Wright State University Graduate Assistantship এর অন্তর্গত Raj Soin College of Business প্রতিবছর Fall এবং Spring সেশনে MBA প্রোগ্রামের জন্য

প্রাইভেট সেক্টরে জবের জন্য এপ্লাই করে অনেকে অভিযোগ করেন যে ডাক পাননা। একটা কারণ হিসেবে দেখান যে কানেকশন না থাকলে

অন-ক্যাম্পাস জব নিয়ে আমরা অনেকেই জানি। আসলে এ কাজ গুলো কি যেগুলা স্টুডেন্ট রা করে? এ জব গুলা হলো ইউনিভার্সিটির

সেল্ফ ফান্ডে পড়াশুনা নিয়ে খুব একটা কথা বলা হয়না আমার। কেন জানি স্কলারশিপ/ফান্ডিং এসব নিয়েই লিখি বা বলি। অথচ স্বামর্থ্য

Ball State University তে Accounting বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফান্ডসহ ফুল-টাইম মাস্টার্স করার সুযোগ রয়েছে। Application Requirements:1. Minimum CGPA 2.752. Official Academic

ইউনিভার্সিটিতে এপ্লাই করার আগে ডিপার্টমেন্ট এর সাথে ইমেইল কমিউনিকেশন করে নেয়া জরুরী। বিশেষ করে সাইন্সের যে কোন প্রোগ্রাম ও পিএইচডির

যদি আসলেই একটা ডিগ্রী নিতে যান আর এসে জবে জয়েন করার ইচ্ছে থাকে, তাহলে ডিগ্রী কাজে লাগিয়ে বেটার কোথাও বা

যদি সিদ্ধান্ত নেন যে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় এ এপ্লাই করার জন্য GRE এবং IELTS দিবেন, তাহলে আগে GRE দেন। কারণ কয়েকটা-

Anderson University আমেরিকানসহ ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য ২১ টি বিভিন্ন পদে ফুল-টাইম Graduate Assistantships এর সুযোগ দিয়ে থাকে। সপ্তাহে ২০ ঘন্টা

অনলাইন সার্টিফিকেট/ডিগ্রী ক্যারিয়ারে যেভাবে হেল্প করে অনলাইন ডিগ্রী/সার্টিফিকেট/ কোর্স নিয়ে একটা সময় আমাদের ধারণা ছিল বা এখনো আছে যে এগুলার

ভ্যালিড পাসপোর্ট আছে তো আমাদের? অনেকে মনে করে আমি পাসপোর্ট বানায় কি করবো, স্টুডেন্ট মানুষ তো বাইরে যাওয়ার সুযোগ কই!

বই পড়া শুরু করার জন্য বইয়ের লিস্ট খুঁজছেন? এখানে পড়ুয়াদের পছন্দের ১৮০ টি বইয়ের লিস্ট দেয়া আছে যেগুলা কমেন্ট থেকে

আমাদের অনেকের ধারণা যদি থিসিস না থাকে অনার্সে তাহলে বিদেশে এপ্লাই করা যাবেনা। অথবা রিসার্স বা কাজের অভিজ্ঞতা মাস্ট লাগে।

এ লাইনটা একটা মুভি দেখতে গিয়ে শুনেছি। প্লটটা ছিল এমন- একজন শাশুড়ি এবং ছেলের বউয়ের মধ্যে ব্যাপক সমস্যা। শাশুড়ি বউয়ের

যে ডিপার্টমেন্ট/সাব্জেক্টে পড়ে একজন জীবনে কিছু হবেনা বলে হতাশ হয়ে বসে থাকে, সে একই জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আরেকজন বেশ

দেশের প্রাইভেট সেক্টরে চাকুরী নিয়ে কমন অভিযোগ যে চাকুরি চলে যায়। জব সিকিউরিটি নাই বলে অনেকে জয়েন করতে চায়না। আচ্ছা,

কোন ভার্সিটিতে চান্স পেলাম বা পেলাম না এটা কারো ভবিষ্যত নির্ধারণ করেনা। আমাকে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করে যে, ভার্সিটি প্রাধান্য

ফ্যামিলির কোন সিদ্ধান্তে মা,বউ বা মেয়ের ইনপুট নেয়ার প্রয়োজন মনে করেনা। কোথায় কি আছে বা ফাইনেন্সিয়াল জায়গা গুলা সবসময়ই সিক্রেট

কখনো দেশের বাইরে গিয়েছেন? দেশের বর্ডার পার করে অন্য যে কোন দেশে পা রাখার অনুভূতি কেমন ছিলো? আমি অনার্স ফোর্থ

কিছু চরম সত্য জীবন থেকে খুব অনুভব করি। – আপনি যদি কাউকে যে কোনভাবে ভালো নিয়্যাতে হেল্প করেন আর সবার

চাকুরী শুরু করে তারপর ক্যারিয়ারে একটু এগিয়ে অনেকেই চায় উচ্চ-শিক্ষায় আসতে। ভালো একটা ক্যারিয়ার বুস্টের জন্য একটা ডিগ্রী প্রয়োজন হয়।

এ বিপদ থেকে উদ্ধার হলেই শান্তি, সামনের পরীক্ষাটা পাশ করলে আর কিছু লাগবেনা জীবনে, একটু টাকা পয়সা হলেই খুব ভালো

“ভাই, অমুক দেশে অনার্স/মাস্টার্স করতে যেতে চাই, কত খরচ পড়বে?” এ একটা প্রশ্নের একদম স্ট্রেইট বা সিম্পল কোন উত্তর নেই।

যারা ইন্টারমেডিয়েটে পরীক্ষা দিয়েছে বা দিবে এবং যারা হয়তো অনার্সে পছন্দের ভার্সিটি ও সাব্জেক্ট পড়তে পারছেনা, তাদের কমন জিজ্ঞাসা হলো

এইযে এত কষ্ট করে জিয়ারই, আইএল্টিএস দিয়ে আমেরিকায় পিএইচডি/মাস্টার্স করে একটা মানুষ ক্যারিয়ারে কি করতে পারে বলে মনে হয়? রিসেন্টলি

আমাদের অনেকের শিক্ষিত/ধনী হয়ে যাওয়ার সাথে ধর্মীয় বিধি-বিধান পালন কমে যাওয়ার একটা পজিটিভ সম্পর্ক আছে। ভার্সিটিতে কখনো ফ্রেন্ডদের সাথে আলাপচারিতায়

আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে বিশ্বের যে কোন দেশের স্কলারশিপ থেকে শুরু করে উচ্চ-শিক্ষায় যেতে কাজে লাগে। এমনকি ভালো একটা স্কোর

মুনা কন্সিভ করার পর আমি কাওরে বলতে বলতাম ‘আমরা কন্সিভ করেছি’। কেউ কেউ মজা করে বলতো তুমি ও করসো নাকি?

জিপিএ কম, বয়স বেশি, স্টাডি গ্যাপ, রিটেক আছে, ইয়ার গ্যাপ আছে, শারীরিকভাবে অক্ষম, জীবনে কোন জায়গায় বড় করে ফেইল করেছেন,

পড়াশুনা করেছেন এক সাবজেক্টে এখন সরাসরি সে সাবজেক্টে মাস্টার্স করতে চাচ্ছেন না বরং কাছাকাছি অন্য কোন সাব্জেক্টে পড়তে চান কিন্তু

কখনো কি এমন হয়েছে যে কোন একটা কিছু লিখতে গিয়ে বেশ কয়েকদিন বসেছেন কিন্তু শুরুটা কিভাবে করবেন বা প্রথম লাইনটা

পার্শিয়াল/হাফ ফান্ডকে যেভাবে ফুল ফান্ডে নিয়ে যাওয়া যায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে কোথায় পার্শিয়াল ফান্ডিং বা অল্প কিছু

বিসিএস প্রিলির রেজাল্ট দিলে ফেসবুক টাইমলাইনে আলহামদুলিল্লাহ এর বন্যা আসে।অনেকটা সিলেটের কয়েকদিন আগের অবস্থার মত! একদম টিনের চালের উপর দিয়ে

২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অনেক গুলো ভলান্টিয়ার অর্গানাইজেশনে কাজ করেছি। বিভিন্ন ইভেন্টে কাজ করেছি। মানবতার সেবায় কিছু কাজ করার

এপ্লিকেশন প্যাকেজের একটা কম্পোনেন্ট হলো রাইটিং স্যাম্পল। অনেক ভার্সিটিই এমন রাইটিং স্যাম্পল চায় এপ্লিকেশনের রিকুয়ারমেন্ট হিসেবে। কি এ ডকুমেন্ট? অনেকে

মা-বাবা, ভাই বোন, আত্মীয় স্বজনের কাছে আমাদের আর তেমন মূল্য নাই! ফোন দিয়ে নামে মাত্র কেমন আছ জিজ্ঞেস করেই বলবে

একটা কমন জিজ্ঞাসা থাকে যে মোটামুটি বা লোয়ার র্যাংকের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এপ্লাই করার জন্য মিনিমাম কি কি লাগে আর কত

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট দের জন্য বিভিন্ন দেশে কিছু রুলস সেট করা থাকে। এগুলা ইউনিফর্ম না তার মানে আমেরিকাতে এক রকম হলে

রান্নায় বা কিচেন ওয়ার্কে আমি দারুণ আনাড়ী। তরকারী কেটে কুটে দেয়া, হাড়ি-পাতিল ধোয়া আর পরিস্কারের বাইরে রান্না রিলেটেড সর্বোচ্চ কাজ

দুইটাই করা যায় তবে যদি IELTS দিয়ে স্কোর সহ ইমেইল করেন, তাহলে আপনার প্রোফাইল প্রফেসর ভালো করে ইভ্যালুয়েট করতে পারে।

দেশের চাকুরীর বাজারে যথেষ্ট চাকুরী নেই। গ্র্যাজুয়েটরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী নিজের সেক্টরে কাজ পাচ্ছেনা। সরকারী চাকুরীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ পরীক্ষা

আমরা দেখি অনেক ভালো জায়গায় পৌছে বিয়ে করতে বেশির ভাগেরই বেশ সময় লেগে যায়,বয়স হয়ে যায় আর ওয়াইফ এসে সব

বিদেশে আমরা যারা পড়তে আসি আর ফুল/হাফ ফান্ড পেয়ে পড়াশুনা করি, আমরা আসলে এদেশের গরীব ক্যাটাগরিতেই পড়ি। আমাদের যে ইনকাম

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় পাব্লিক, প্রাইভেট, ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি একটা ডিভাইড আছে। এক ভার্সিটি অন্যদের চেয়ে সুপিরিয়র মনে করে এবং চাকুরীর বাজারে

একটা ব্যপার নিয়ে সবাই বলে যে দেশে প্রায় ৮০%-৯০% বাচ্চা সিজারে জন্ম নেয়। এ পরিসং্খ্যানের একুরিসি জানিনা তবে আসলেই যত

আমেরিকান এ্যাম্বাসীতে এখন এফ১ এ অগাস্টের সেশনের ইন্টারভিউ চলছে এখন। কি জিজ্ঞেস করে এ ইন্টারভিউ তে? ফুল-ফান্ডেড থেকে শুরু করে

রেকমেন্ডেশন লেটার বা সুপারিশ পত্র বিদেশের ভার্সিটি অথবা যে কোন স্কলারশিপ এপ্লিকেশনের সময় অথরিটি এক বা একাধিক রেকমন্ডেশন লেটার চায়।

আমেরিকাতে সিস্টেম হলো ওয়াইফ এর ডেলিভারি রুমে হাসব্যন্ড কে অনেকটা বাধ্যতামূলক ভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। শুধু থাকলে আর বসে থাকলে

আমরা সারা জীবন খুজে বেড়াই নিজেরা কি পারিনা, কি নেই, ঘাটতি কিসে আর নিজেদের ক্যাপাসিটি/যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করি। সাথে যোগ

আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব চাই, আমার ছোট বড়, আত্মীয় অনাত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবী, পরিচিত, অপরিচিত সবাই জীবনে, ক্যারিয়ারে আমার চাইতে অনেক ভালো করুক।

দেশে বসে পাব্লিশ করলে উচ্চ-শিক্ষার প্যাকেজে একটা হেল্প হলো এডমিশন ও ফান্ড পেতে সহজ হয়। আরেকটা বড় উপকার হলো আমেরিকায়

দেশের পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এখন একটা মোটামুটি সংখ্যক স্টুডেন্ট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনা। মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ছাড়া বাকী

ইন্টারনেটে প্রতিদিন আর যা করি না করি অনেক বার গুগল করতে হয়। একটা টার্ম বুঝতেসিনা তো গুগল, কিছু নিয়ে আইডিয়া

আপনি যদি একাডেমিয়া বা রিসার্চে থাকেন তাহলে।আপনার জন্য বিশ্বের যে কোন দেশে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অনেকটা সহজ। ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ লেভেলে

একটা ব্যপার প্রায় শুনি, অমুক/তমুক অনেক পারফেক্টশনিস্ট বা কিছু মা-বাবা বলে এটা আমাদের পারফেক্ট বাচ্চা! কেউ বলে, সব কাজ পারফেক্ট

যাদের ১ম/২য় টা ছিল, তাদের ৫% ও ক্ষান্ত হবেনা। কারণ, মাত্র তো শুরু, কত বয়স পরে আছে! যাদের ৩য় বিসিএস

দেশ থেকে টপ র্যাংকড বা আইভি লিগের ভার্সিটি গুলোতে এপ্লাই করে বা পড়াশুনার সুযোগ পায় সিকিভাগ লোকজন। যারা পড়েন তাদের

আমাদের ভার্সিটির সাথে নরমালি ইন্ড্রাস্ট্রির একটা বিশাল দূরত্ব আছে। কারণ, আমাদের দেশের কোম্পানী গুলো যেহেতু রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট এ খুব

আমরা সবাই আজকে এ দিনে এ মুহুর্তে অল্প/বেশি ঝামেলা, টেনশন না পাওয়া বা কষ্টের মধ্যে আছি। হয়তো মানসিকভাবে খুব কষ্টে

দেশে কারো সাথে কথা হলে হয়ে একটা আলোচনার টপিক থাকে যে চাকুরীর বাজারের সার্বিক অবস্থা নিয়ে। রিসেন্টলি এক ছোট ভাইয়ের

আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা নিন্ম-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি, তারা জীবনের নানা সময়ে আর্থিক টানাপোড়নের ব্যপারটি খুব ভালো করে উপলব্ধি করি।

দিন শেষে আমরা সবাই একা। শুনলে মনে হবে আরে ভাই বলে কি! আমার আশে পাশে কত মানুষ সাপোর্ট করার জন্য!

উত্তর হলো- যেসব ভার্সিটি বর্তমানে Duolingo নিচ্ছে IELTS/TOEFL এর অল্টারনেটিভ হিসেবে, সেগুলায় অবশ্যই এ স্কোর দিয়ে এপ্লাই করা যাবে। আর

লাইফে কি করবো, কি করা উচিত, ক্যারিয়ারে কি করবো এসব নিয়ে কনফিউশান থাকা খারাপ কিছুনা। বরং একটা সময় পর্যন্ত কনফিউশান

এমন একটা অদ্ভুত সময়ে বাস করছি যখন কাউকে বলি যে ভাই নিজের ক্যারিয়ার যে কোন দিকে চাইলে ফোকাস করে আপনি

ইউরোপের দেশ গুলোর মধ্যে জার্মানী সব দিক থেকেই বেশ খানিকটা এগিয়ে আর তাই উচ্চ-শিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য ও একটি উল্লেখযোগ্য ডেসটিনেশন।

দেশে যারা সরকারি চাকুরী করবেই এমন মনস্থির করেছেন এবং লম্বা সময় ধরে ট্রাই করে যাচ্ছে, তাদের একটা কমন প্যাটার্ন হলো-

সুখী কারা? আমার দৃষ্টিতে কারা সুখী বা বাস্তব জীবনে আমি যেভাবে সুখী থাকি সেটাই নিয়েই আলাপ করবো এ ব্লগ পোস্টে। –

দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একজন স্টুডেন্ট কেন প্রথম সেমেস্টার/ইয়ার থেকে MP3 বই নিয়ে বসে রেগুলার ক্লাসের পাশাপাশি আর কেন নিজেকে অন্য

অনার্স বা মাস্টার্সে পড়াশুনাকালীন অথবা শেষ করে আমরা বেশির ভাগই হাত খরচ চালানো /ফ্যামিলিতে কন্ট্রিবিউট করার জন্য টিউশন বা কোচিং

এদেশের স্টুডেন্ট দের পলিটিক্যাল এংগেজমেন্ট ভিন্নরকম! এতদিনে ও কোন ক্যাম্পাসে কোন রাজনৈতিক দলের ছাত্র শাখার কোন মিছিল, মিটিং, দাবি-দাওয়া বা

২০২২ শুরু হয়ে এক মাস প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। আমরা প্ল্যান করেছি তো এ বছরের জন্য? বছরের প্ল্যান করাটা অনেকে

ইচ্ছে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষ করে ১ দিন ও বসে না থেকে জবে ঢুকে যাওয়ার। যেহেতু আমার প্রায়োরিটি লিস্টে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াটা আমার প্রথম প্রায়োরিটি ছিলোনা। ভার্সিটি কোচিং যদিও করতাম কিন্তু মন দিয়ে বিদেশে পড়তে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।

আমেরিকার ভিসার মেয়াদ তো ৫ বছর, স্টুডেন্ট হিসেবে আমি কত বছর থাকতে পারবো? আমেরিকায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে একটা কনফিউশন আছে।

বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ইউরোপ-আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ফুল-ফান্ডেড অফার দিয়ে থাকে।

নিউজিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছে উন্নত উচ্চশিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ এবং গবেষণার ভালো সুযোগের জন্য জনপ্রিয়। বিশেষ করে রিসার্চ মাস্টার্স প্রোগ্রামগুলোতে স্কলারশিপ,

উচ্চশিক্ষার জন্য নর্থ আমেরিকা, ইউকে, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি সাউথ আমেরিকাও হতে পারে একটি বিকল্প সুযোগ। বিশেষ করে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা,

অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র্যাংকিং, গবেষণার সুযোগ, ইংরেজি ভাষার পরিবেশ, পড়াশোনার

বিদেশে পড়তে গেলে অনেক শিক্ষার্থী ধরে নেন যে বিদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথেই একটা জব ম্যানেজ হয়ে যায়! কিন্তু

কাতার সরকারি স্কলারশিপে ২০২৬-২০২৭ সেশনে আবেদন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশসহ সকল উন্নয়নশীল দেশগুলো আবেদন করতে পারবে। ফুল টিউশন ফি ও লিভিং

ইউরোপের অনেক দেশেই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তবে কাজের অনুমতি, সময়সীমা ও শর্ত দেশভেদে আলাদা।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য থাকে পড়াশোনা শেষে Permanent Residency (PR) পাওয়া। তবে

অনেকেরই ধারণা, অস্ট্রেলিয়ায় শুধু STEM (Science, Technology, Engineering, Mathematics) ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদেরই ভালো সুযোগ রয়েছে। তবে বাস্তবে বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনে Statement of Purpose যাকে সংক্ষেপে SOP বলা হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ডকুমেন্ট। এটা এমন একটা ডকুমেন্ট, যা

অনেকেই মনে করেন, জার্মানিতে শুধু Engineering, Computer Science বা অন্যান্য STEM (Science, Technology, Engineering, Mathematics) বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই সুযোগ রয়েছে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে অনেকের প্রথম প্রশ্ন থাকে—”বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং কি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?” সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো: না, তবে অনেক দিকে


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus