বিসিএস প্রিলির রেজাল্ট দিলে ফেসবুক টাইমলাইনে আলহামদুলিল্লাহ এর বন্যা আসে।অনেকটা সিলেটের কয়েকদিন আগের অবস্থার মত! একদম টিনের চালের উপর দিয়ে পানি গড়াচ্ছে। মানে, প্রচুর মানুষের প্রিলি হয়! তারপর যখব বিসিএস রিটেনের রেজাল্ট দেয়, এ বন্যাটা কমে হাটু/তার নিচের পানিতে নেমে যায়। মানে, অনেক আলহামদুলিল্লাহ আর নাই। উপচে পড়তেসেনা টাইমলাইন!! অতপর, যখন ভাইভা পাশ করে তখন বন্যার পানির কোন আভাস তো নেই বরং ভীষণ খরায় সব ফেটে চৌচির। গুটি কয়েক মানুষের আলহামদুলিল্লাহ পাই যার ৭০% আবার নন-ক্যাডার!! বাকীরা খরার ফাটলে হারায়া যায় অথবা পরের বন্যার পানির জন্য অপেক্ষা করে!
আসলে বিসিএসে যারা ট্রাই করছে তাদের ছোট করার জন্য বলছিনা, আমার বন্যার এ উদহারণ দেয়ার একটা অন্যতম কারণ হলো জাস্ট কম্পেয়ার করে দেখানো যে প্রিলি থেকে শুরু করে ক্যাডার পর্যন্ত কত কম মানুষের আসলে বিসিএস হয়! কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে প্রতি বিসিএসেই আমরা টিনের চাল উপচানোর মত ফরম ফিল-আপ করে পরীক্ষা দেই তারপর রেজাল্ট খরা! ১/২ বারে থামলে তো হতোই কিন্তু প্রতি বর্ষাতেই এমন প্লাবন বয়স থাকা পর্যন্ত বয়াতেই থাকি কেন জানি! প্রতিবার নতুন নতুন দেশের জনসং্খ্যাকে ছাড়িয়ে পত্রিকার শিরোনাম হই আর তারপর যে লাউ, সে কদুই।
ভাইরে, প্লিজ থামেন। ট্রাই করতে না করতেসিনা কিন্তু কতবার করবেন এক জীবনে সেটা ডিসাইড করেন। আমি ২ বার দেখবো ভালো করে, না হলে অবশ্যই লেগে না থেকে অন্য ক্যারিয়ারে ফোকাস করবো। অথবা যেহেতু ক্যাডার আমাকে হতেই হবে আর বিসিএস দিতেই হবে, তাহলে পছন্দের কোথাও জয়েন করে তারপর পড়াশুনা করে পরীক্ষা দেই। অথবা দুনিয়ার কত অপশন আছে, এ ইঁদুর দৌড় থেকে বের হয়ে যাইনা কেন?
খুব জানতে ইচ্ছে করে এ পেইজ যেসব কলেজ/ভার্সিটি পড়ুয়ারা ফলো করো, তারা ও কি চিন্তা করেই রাখসো যে ২০২৫/২৬/২০২৭ সালের প্রিলিতে বন্যায় নিজেরে ভাসায়া দিবা? তারপর খরায় চৌচির হয়ে হারায়া যাবা? নাকি অন্য প্ল্যান আছে? জানিও কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছ তোমরা প্লিজ।


















































































