দেশের পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এখন একটা মোটামুটি সংখ্যক স্টুডেন্ট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনা। মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ছাড়া বাকী গুলায় পরীক্ষা না দেয়াদের বড় অংশটা দেশের প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়াশুনা করে আর বাকি কিছু বিদেশেই আন্ডারগ্রেড করতে চলে আসে। দিন দিন এ সংখ্যাটা বাড়ছে।
যারা দেশে ভাল প্রাইভেটে বড় একটা এমাউন্ট খরচ করে পড়ে, তাদের থেকে আরো কিছু চাইলে কাছাকাছি বা আরেকটু বেশি টাকা খরচ করলে মালয়েশিয়া, চায়না, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, তুরস্ক বা ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়ায় একটা ব্যাচেলর করে ফেলতে পারে। দেশের বাইরে অনার্স করলে অনেক দিক থেকেই নিজেকে এগিয়ে রাখা যায়। আমেরিকা, কানাডা সহ আর ও কিছু দেশে ব্যাচেলর করা কিছু মানুষ জনকে দেখছি ক্যারিয়ার শুরুই করছে গ্লোবাল লিডিং কোম্পানি গুলোতে।
কি কি কারণে আন্ডারগ্রেডে বাইরে আসা উচিত:
১। বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর পড়াশুনার কোয়ালিটি দেশের চেয়ে নিঃসন্দেহে ভালো ও উন্নত
২। ইন্টারন্যাশনাল একটা পরিবেশ পাওয়া যায়
৩। নেটওয়ার্ক হয় গ্লোবাল লেভেল যেহেতু ভালো ভার্সিটি গুলোতে অনেক দেশের স্টুডেন্ট থাকে
৪। স্কিল গ্রো করে আন্ডারগ্রেডে থাকতেই
৫। ইন্ডাস্ট্রির সাথে পরিচিত থাকে বলে চাকুরী পেতে সুবিধা হয় আর এ্যালুম্নি রা ও বেশ হেল্পফুল হয়
৬। অন-টাইম পড়াশুনা শেষ হয় এবং ব্যাচেলর টাইমটা নিরাপদে যায়
প্রস্তুতি:
নরমালী রিকুয়ারমেন্টে থাকে SSC, HSC/ O-Levels/A-Levels এর রেজাল্ট, IELTS Score, Motivational Letter, Recommendation Letter এবং Extra curricular Activities। আমেরিকায় এপ্লাই করলে SAT Score লাগতে পারে। অনেক ভার্সিটি ভালো এমাউন্টের টিউশন ওয়েভার থাকে, আবার কিছু ভার্সিটি কমেপ্টিটিভ প্রোফাইল হলে ১০০% ওয়েভার দেয় এবং সাথে লিভিং ও কাভার করে যেটাকে বলে ফুল-রাইড। ভালো প্রস্তুতি নিলে ফ্রি-তেই বিদেশে ব্যাচেলর করা সম্ভব।
আশা করি, যাদের মেধা ও ফাইনেন্সিয়াল সাপোর্ট আছে, তারা চেষ্টা করবে বিভিন্ন দেশের এ স্কলারশিপ ও ফান্ড গুলো পেতে।


















































































