
যেভাবে বিদেশের ভার্সিটিতে এডমিশন ও ফুল ফান্ড সিকিউর করা যায়
দেশ থেকে টপ র্যাংকড বা আইভি লিগের ভার্সিটি গুলোতে এপ্লাই করে বা পড়াশুনার সুযোগ পায় সিকিভাগ লোকজন। যারা পড়েন তাদের

দেশ থেকে টপ র্যাংকড বা আইভি লিগের ভার্সিটি গুলোতে এপ্লাই করে বা পড়াশুনার সুযোগ পায় সিকিভাগ লোকজন। যারা পড়েন তাদের

আমাদের ভার্সিটির সাথে নরমালি ইন্ড্রাস্ট্রির একটা বিশাল দূরত্ব আছে। কারণ, আমাদের দেশের কোম্পানী গুলো যেহেতু রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট এ খুব

আমরা সবাই আজকে এ দিনে এ মুহুর্তে অল্প/বেশি ঝামেলা, টেনশন না পাওয়া বা কষ্টের মধ্যে আছি। হয়তো মানসিকভাবে খুব কষ্টে

দেশে কারো সাথে কথা হলে হয়ে একটা আলোচনার টপিক থাকে যে চাকুরীর বাজারের সার্বিক অবস্থা নিয়ে। রিসেন্টলি এক ছোট ভাইয়ের

আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা নিন্ম-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি, তারা জীবনের নানা সময়ে আর্থিক টানাপোড়নের ব্যপারটি খুব ভালো করে উপলব্ধি করি।

দিন শেষে আমরা সবাই একা। শুনলে মনে হবে আরে ভাই বলে কি! আমার আশে পাশে কত মানুষ সাপোর্ট করার জন্য!

উত্তর হলো- যেসব ভার্সিটি বর্তমানে Duolingo নিচ্ছে IELTS/TOEFL এর অল্টারনেটিভ হিসেবে, সেগুলায় অবশ্যই এ স্কোর দিয়ে এপ্লাই করা যাবে। আর

৩ বছরের ব্যাচেলর/ডিগ্রী প্রোগ্রাম দিয়ে আমেরিকার ভার্সিটিতে এপ্লাই করা যাবে কিনা এটা একটা কমন প্রশ্ন। যারা জানতে আগ্রহী তাদের জন্য

লাইফে কি করবো, কি করা উচিত, ক্যারিয়ারে কি করবো এসব নিয়ে কনফিউশান থাকা খারাপ কিছুনা। বরং একটা সময় পর্যন্ত কনফিউশান

এমন একটা অদ্ভুত সময়ে বাস করছি যখন কাউকে বলি যে ভাই নিজের ক্যারিয়ার যে কোন দিকে চাইলে ফোকাস করে আপনি

ইউরোপের দেশ গুলোর মধ্যে জার্মানী সব দিক থেকেই বেশ খানিকটা এগিয়ে আর তাই উচ্চ-শিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য ও একটি উল্লেখযোগ্য ডেসটিনেশন।

অনেকে এক সাব্জেক্টে অনার্স করার পর এক সময় গিয়ে মনে হয় যে সে সাব্জেক্ট আসলে ভালো লাগছে না। বরং নিজের


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus