
বিদেশে নিজের টাকায় পড়াশুনা
সেল্ফ ফান্ডে পড়াশুনা নিয়ে খুব একটা কথা বলা হয়না আমার। কেন জানি স্কলারশিপ/ফান্ডিং এসব নিয়েই লিখি বা বলি। অথচ স্বামর্থ্য

সেল্ফ ফান্ডে পড়াশুনা নিয়ে খুব একটা কথা বলা হয়না আমার। কেন জানি স্কলারশিপ/ফান্ডিং এসব নিয়েই লিখি বা বলি। অথচ স্বামর্থ্য

ইউনিভার্সিটিতে এপ্লাই করার আগে ডিপার্টমেন্ট এর সাথে ইমেইল কমিউনিকেশন করে নেয়া জরুরী। বিশেষ করে সাইন্সের যে কোন প্রোগ্রাম ও পিএইচডির

যদি আসলেই একটা ডিগ্রী নিতে যান আর এসে জবে জয়েন করার ইচ্ছে থাকে, তাহলে ডিগ্রী কাজে লাগিয়ে বেটার কোথাও বা

যদি সিদ্ধান্ত নেন যে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয় এ এপ্লাই করার জন্য GRE এবং IELTS দিবেন, তাহলে আগে GRE দেন। কারণ কয়েকটা-

অনলাইন সার্টিফিকেট/ডিগ্রী ক্যারিয়ারে যেভাবে হেল্প করে অনলাইন ডিগ্রী/সার্টিফিকেট/ কোর্স নিয়ে একটা সময় আমাদের ধারণা ছিল বা এখনো আছে যে এগুলার

ভ্যালিড পাসপোর্ট আছে তো আমাদের? অনেকে মনে করে আমি পাসপোর্ট বানায় কি করবো, স্টুডেন্ট মানুষ তো বাইরে যাওয়ার সুযোগ কই!

আমাদের অনেকের ধারণা যদি থিসিস না থাকে অনার্সে তাহলে বিদেশে এপ্লাই করা যাবেনা। অথবা রিসার্স বা কাজের অভিজ্ঞতা মাস্ট লাগে।

এ লাইনটা একটা মুভি দেখতে গিয়ে শুনেছি। প্লটটা ছিল এমন- একজন শাশুড়ি এবং ছেলের বউয়ের মধ্যে ব্যাপক সমস্যা। শাশুড়ি বউয়ের

যে ডিপার্টমেন্ট/সাব্জেক্টে পড়ে একজন জীবনে কিছু হবেনা বলে হতাশ হয়ে বসে থাকে, সে একই জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আরেকজন বেশ

দেশের প্রাইভেট সেক্টরে চাকুরী নিয়ে কমন অভিযোগ যে চাকুরি চলে যায়। জব সিকিউরিটি নাই বলে অনেকে জয়েন করতে চায়না। আচ্ছা,

কোন ভার্সিটিতে চান্স পেলাম বা পেলাম না এটা কারো ভবিষ্যত নির্ধারণ করেনা। আমাকে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করে যে, ভার্সিটি প্রাধান্য

ফ্যামিলির কোন সিদ্ধান্তে মা,বউ বা মেয়ের ইনপুট নেয়ার প্রয়োজন মনে করেনা। কোথায় কি আছে বা ফাইনেন্সিয়াল জায়গা গুলা সবসময়ই সিক্রেট


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus