
আমেরিকায় উচ্চ-শিক্ষা নিয়ে সব রিসোর্স- ফেসবুক গ্রুপ, পেইজ, চ্যানেল, ওয়েবসাইট
বলা হয়ে থাকে ‘ইনফরমেশন ইজ পাওয়ার’ এবং আসলেই এ কথার সত্যতা অনেক বার প্রমান হয়েছে নিজের জীবনে। যার কাছে যত

বলা হয়ে থাকে ‘ইনফরমেশন ইজ পাওয়ার’ এবং আসলেই এ কথার সত্যতা অনেক বার প্রমান হয়েছে নিজের জীবনে। যার কাছে যত

একজন মানুষ সর্ব প্রথম মানুষ, তারপর মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বাংলাদেশি, আমেরিকান, ইন্ডিয়ান। মানুষকে যদি মানুষ হিসেবে বিবেচনা না করে তার

দেশের বিশাল শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে আমাদের কোন পরিকল্পনা আছে কি? এ সংখ্যাটা ২৫ লক্ষ এর বেশি ছিল (করোনার প্রকোপে নিশ্চিত

আজকে ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে প্রথম আলোর একটা নিউজ নজর আসে। শিরোনাম হলো- ‘অনলাইনে গরুর ভুঁড়ি বেচেন তানজিলা’। উপরে বলা

Alhamdulillah. Officially Graduated! আপনাদের সাথে খুশীর উপলক্ষটা শেয়ার করতে চাই। অফিসিয়ালি মাস্টার্স টা শেষ করলাম। আমার এ পথ চলাটা শুরু

প্রতিটা মানুষ ক্যারিয়ারে যত সফলই হউক, যতই খ্যাতনামা হউক আর ধনী হউক না কেন, দিন শেষে একটু মানসিক শান্তি চায়।

এক্সট্রাকারিকুলারকে একসময় অনেকেই বলতেন সময় অপচয়। আবার কারো কারো মতে পয়সাওয়ালা বাচ্চাদের ফুটানি বলতো। আমিও কলেজ পর্যন্ত এসবের গুরুত্ব বুঝতাম

স্যোসাল সাইন্সে স্কলারশিপ আছে নাকি নেই এ ডিবেট অনেক দিন ধরেই চলছে। কেউ বলেন সব ফান্ড বা স্কলারশিপ STEM ডিগ্রি

উচ্চ-শিক্ষার চিন্তা মাথায় আসলে শুরুতেই যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খায়, সেটা হলো- কোন দেশে যাবো? যেহেতু এশিয়া, ইউরোপ, নর্থ-আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, মিডল

মানুষের যত খারাপ দোষ আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে মায়া লাগে তাদের জন্য যারা অন্যের ভালো কিছুতে ‘হিংসা’ করে। দুনিয়ার তাবত

“যার জিপিএ/সিজিপিএ যত ভালো, সে তত ভালো স্টুডেন্ট”- এ একটা কন্সেপ্ট স্টুডেন্ট লাইফে যতটা ভোগায়, অন্য কিছু এতটা ভোগায় বলে

রাত ১২.০৭ মিনিট। বাইরে বেশ সুন্দর বৃষ্টি হচ্ছে। পড়ার টেবিলে একটা এসাইনমেন্ট করছি আর বৃষ্টির শব্দ শুনছি। এথেন্সের এ গ্রামে


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus