ইংরেজি ব্যাসিক দূর্বলদের জন্য আইএলটিএস প্রস্তুতি 

আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে বিশ্বের যে কোন দেশের স্কলারশিপ থেকে শুরু করে উচ্চ-শিক্ষায় যেতে কাজে লাগে। এমনকি ভালো একটা স্কোর থাকলে সেটা দেশের জবে ইন করতে ও দেখানো যায়। এ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটা ভালো প্রস্তুতি ছাড়া দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। অনেকের জিজ্ঞাসা থাকে যে, ইংরেজি  ব্যাসিক খুব একটা ভালো না হলে IELTS এর জন্য কিভাবে আগানো উচিত। 

IELTS পরীক্ষা যেহেতু একদম সহজ আবার অনেক কঠিন কিছু না এবং একটা ভালো এমাউন্ট খরচ হয় পরীক্ষায় বসতে, সেহেতু ইংরেজি ব্যাসিক ঝালাই না করে সেদিকে যাওয়াই দরকার নেই। স্টেপ বাই স্টেপ আগাতে পারেন এভাবে- 

১ম- যদি ব্যাসিক একদমই ভালো না হয়, তাহলে ইংরেজি ব্যাসিক যে কোন একটা কোর্স করে নিতে পারেন অথবা নিজেই পড়াশুনা করে ব্যাসিক স্ট্রং করতে পারেন

২য়- যখন মনে হবে যে আপনি এখন মোটামোটি ইংরেজি পড়ে আর শুনে বুঝতে পারছেন, নিজের মনের কথা লিখে শুদ্ধভাবে প্রকাশ করতে পারছেন আর বলতে পারছেন, তাহলে ব্যাসিকের কাজ শেষ আর পরের স্টেপ হতে পারে সরাসরি IELTS এর প্রস্তুতি নেয়া। সেটার বুঝতে আরেকটা কাজ করা যায়, অনলাইনে যে কোন একটা মডেল টেস্ট দিয়ে নিজেকে যাচাই করা যায় যে কত পেলেন। যত কমই পান, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। 

৩য়- যদি মডেল টেস্টে স্কোর কম আসে বা রিয়েল পরীক্ষার জন্য এনাফ প্রস্তুতি হয়নি মনে করেন, তাহলে Pre-IELTS নামে একটা কোর্স করার পরামর্শ রইলো। এটায় জাস্ট পরীক্ষার জন্য বেইজটা তৈরী করবে

৪র্থ- এ কোর্সের পরে আশা করি আপনি পরীক্ষার প্যাটার্ন থেকে শুরু করে খুটিনাটি ধরতে পারবেন আর এবার পুরোদস্তুর রিয়েল একজামের প্রস্তুতি নেন। আবারো কোচিং করতে পারেন অথবা নিজেই Cambridge 1-13 বই গুলো সলভ করতে পারেন। অনলাইনে প্রচুর রিসোর্স আছে সেগুলা থেকে হেল্প নিতে পারেন। তারপর যখন বুঝবেন ভালো প্রস্তুতি নিয়েছেন, তখন আরো কয়েকটা মডেল টেস্ট দেন। কিছু কোচিং এ মডেল টেস্টের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা যায় যেখানে পরীক্ষার এনভাইরন্মেন্ট পাবেন। অল্প টাকায় এ মডেল টেস্ট গুলা দেয়া যায়। যদি স্কোর সন্তোষজনক হয়, তাহলেই রেজিস্ট্রেশন করেন ফাইনাল পরীক্ষার জন্য। 

এখন কথা হলো এ সব কিছু করতে বেশ সময় লাগবে। যদি আপনার তাড়াহুড়া না থাকে, সময় নিয়েই করেন সব। এ পরীক্ষার স্কোর তো ম্যাটার আবার নিজের ও ইংরেজি ভাষায় ভালো দখল হবে। আর যাদের ব্যাসিক ভালো তারা জাস্ট রুলস গুলা দেখে কিছু প্র‍্যাক্টিস করে মডেল টেস্ট দিয়েই পরীক্ষার জন্য বসতে পারেন। তাই, কতদিন প্রস্তুতি নিব, এ প্রশ্নের স্পেসিফিক জ্ববাব নেই কারণ এটা নির্ভর করবে আপনার ব্যাসিকের উপর। 

আশা করি, উপরের স্টেপ গুলো ফলো করলে IELTS এ ভালো স্কোর করা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।

    SHARE THIS BLOG

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Hello! I'm Tanin Zaid

    I love to read, travel, and help others to grow

    Recent Post

    Categories
    [quads id=2]
    বিজ্ঞান (Science) ফ্যাকাল্টি: পূর্ণাঙ্গ রিভিউ
    Career After HSC
    বিজ্ঞান (Science) ফ্যাকাল্টি: পূর্ণাঙ্গ রিভিউ

    সায়েন্স ফ্যাকাল্টি কী? বিজ্ঞান বিভাগ হলো সেই শিক্ষাক্ষেত্র যেখানে প্রাকৃতিক ও বাস্তব জগতের নীতি, ঘটনা ও প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করা হয়। এখানে শিক্ষার্থীরা ল্যাব ও

    Read More »
    আমেরিকার Missouri স্টেটের ১৫টি ফান্ডিং প্রদারকারী বিশ্ববিদ্যালয়
    Funded University List
    আমেরিকার Missouri স্টেটের ১৫টি ফান্ডিং প্রদারকারী বিশ্ববিদ্যালয়

    আমেরিকার অন্যতম একটি স্টেট হল Missouri স্টেট। এই স্টেটে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বেশ সুযোগ-সুবিধা আছে। এখানকার লিভিং কস্ট আমেরিকার অন্য অনেক স্টেট থেকে অনেকটা কম

    Read More »
    Master of Applied Economics at Australian National University
    Australian National University
    Master of Applied Economics at Australian National University

    অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত Australian National University (ANU)-তে Applied Economics নিয়ে ফান্ডসহ ফুল-টাইম মাস্টার্স করার সুযোগ আছে। Application Criteria: 1. Minimum CGPA 3.00 (out of 4.00 scale).

    Read More »
    আমেরিকাতে Anthropology নিয়ে পিএইচডি করার ১১টি ফান্ডেড প্রোগ্রাম 
    anthropology
    আমেরিকাতে Anthropology নিয়ে পিএইচডি করার ১১টি ফান্ডেড প্রোগ্রাম 

    সামাজিক বিজ্ঞানের অন্যতম একটি সাবজেক্ট Anthropology বা নৃবিজ্ঞান। এই সাবজেক্ট থেকে একাডেমিয়াসহ, নন-প্রফিট এমনকি কর্পোরেট সেক্টরেও ক্যারিয়ার গড়ার অনেক রকম সুযোগ রয়েছে। আমেরিকা এবং বিশ্বের

    Read More »