
ঢাকা টু নিউ-ইয়র্কঃ একটি স্বপ্ন পানে যাত্রা (শেষ পর্ব)
ইস্তাম্বুল থেকে নিউইয়র্ক গামী ফ্লাইটটি ছুটে চলছিলো হাজার হাজার মাইল উপর দিয়ে। সিটের সাথে লাগানো স্ক্রিনে কোন দেশ/জায়গার উপর দিয়ে

ইস্তাম্বুল থেকে নিউইয়র্ক গামী ফ্লাইটটি ছুটে চলছিলো হাজার হাজার মাইল উপর দিয়ে। সিটের সাথে লাগানো স্ক্রিনে কোন দেশ/জায়গার উপর দিয়ে

স্টুডেন্ট ভিসায় স্পাউস বা বাচ্চা বিদেশে নিয়ে আসা যায় কি? এ প্রশ্নটা খুব কমন। বিবাহিত ও যাদের বাচ্চা আছে, তারা

বাইরে পড়াশুনা করতে এসে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে চেক-ইন দেয়া আমাদের দেখে অনেকেই ভাবতে পারেন মনে হয় খালি সুখ আর শান্তি

আমেরিকার প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই বিদেশী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করায়। সব চেয়ে বেশি স্টুডেন্ট আসে ফল সেমিস্টারে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট নেয়ার

গুগল প্রতিমাসের শেষে ম্যাপ থেকে একটা আপডেট পাঠায় যে এ মাসে কয়টা জায়গা ঘুরলাম। সামার আসার পর থেকে চেষ্টা করছিলাম

ঈদের আমেজে বন্ধুরা সবাই বাড়ি যাওয়ার টিকেট কাটলেও সুজন (ছদ্মনাম) এবার নিয়ে ৩ বছর ঈদে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়

কয়েকদিন ধরেই শুনছিলাম এখানে Gordsman নামে একটা ব্র্যান্ড বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাই বিশাল ছাড় দিচ্ছে। মুনা কয়দিন ধরেই বলছিল যেতে!

ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্টে- প্লেন যখন ল্যান্ড করার জন্য ইস্তাম্বুল এয়ারপোর্টের উপর দিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, তখন জানালা দিয়ে খুব সুন্দর নদী/সমুদ্রের ভিউ

প্লেন আকাশে উড়ার সময় শুরুতে একটা প্রেশার ফিল হয় যেটা বেশ খানিকটা উপরে উঠলে আর বোঝা যায়না। আমরা উড়ার বেশ

প্রতিদিনই নানা দুঃখ, কষ্ট, না পাওয়া গুলো আমাদের চেপে ধরে। মনে হয় আহারে কি দুঃখী আমি! এটা নেই, ওটা নেই,

Ohio University তে মাস্টার্স শুরু করার পর ১ম সেমিস্টারের যখন ক্লাশের সিলেবাস গুলো দেখলাম, তখন কিছু ভ্রু-কুঁচকে গিয়েছিল আমার। যদিও

আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন রকমের বই পড়ার অভ্যাস আছে। আমি শুরু করেছিলাম ক্লাশ ফাইভে। ভাইয়া বই-পোকা হওয়ার কারণে বাসায় তিন গোয়েন্দা,


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus