বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপে দেখা যায় ফুল-টাইম বা পার্ট-টাইম ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স চেয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে একদম ফ্রেশারদের জন্য আবেদন করে ফাইনাল সিলেকশনে ডাক পাওয়াটা কিছুটা কঠিনই বটে! যদিও অনেক ক্ষেত্রেই এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিস দিয়ে সেটা কাভার করা যায়। তবে অনেক সময় অনেক স্কলারশিপে বাধ্যতামূলক ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স দেখাতে হয়। এজন্য কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলে বা ফ্রেশার হলে যেসব স্কলারশিপে ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স চায় না সেগুলোতে আবেদন করা ভালো সিদ্ধান্ত। বিশ্বের অনেক জনপ্রিয় স্কলারশিপগুলোতে আবেদন করতে ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স বাধ্যতামূলক থাকে না।
যেসব স্কলারশিপে সাধারণত Work Experience লাগে না:
• Erasmus Mundus Scholarship (ইউরোপ)
• DAAD EPOS-এর কিছু প্রোগ্রাম (জার্মানি)
• MEXT Scholarship (জাপান)
• Stipendium Hungaricum (হাঙ্গেরি)
• China Government Scholarship (চীন)
• Türkiye Bursları (তুরস্ক)
• Chevening-এর কিছু নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম (কিছু ক্ষেত্রে)
এসব স্কলারশিপে যেসব বিষয়কে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়:
-ভালো CGPA বা একাডেমিক ফলাফল (ডিপার্টমেন্টে ফার্স্ট বা টপ স্কোরার)
-ভালো Statement of Purpose (SOP)
-Recommendation Letter (LOR) (বিশেষ করে নিজের ডিপার্টমেন্ট বা সুপারভাইসারের থেকে)
-Language Proficiency (IELTS/TOEFL বা প্রোগ্রাম অনুযায়ী যেকোন টেস্টে টপ স্কোর)
-Co-curricular Activities ও Leadership Experience (আবেদনকৃত প্রোগ্রামের সাথে অবশ্যই রিলেভেন্ট হতে হবে)
বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বর্তমানে ফুল-ফান্ডেড সরকারি স্কলারশিপ চালু হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা এসব স্কলারশিপে অনেক সযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। এসব স্কলারশিপের প্রতিটির আলাদা আলাদা রিকোয়ারমেন্ট থাকে। বিশেষ করে ফ্রেশারদের জন্য ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স নেই এমন স্কলারশিপগুলোতে আবেদন করা তুলনামূলক সহজ। তাই ভালোভাবে বুঝে আবেদন করলে চান্স পাবার রেট অনেক বেড়ে যায়।










