দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একজন স্টুডেন্ট কেন প্রথম সেমেস্টার/ইয়ার থেকে MP3 বই নিয়ে বসে রেগুলার ক্লাসের পাশাপাশি আর কেন নিজেকে অন্য যেকোন সেক্টরের জন্য ইকুইপড করেনা? কেন স্কিল শিখেনা বা নিজের যে কোন পছন্দের ক্যারিয়ারের জন্য যা দরকার সেগুলায় ফোকাস করেনা?
উত্তর হতে পারে- ভাই, দেশে সরকারী চাকুরি ছাড়া অন্য কোন ক্যারিয়ারের প্রিপারেশন নিয়ে কি লাভ? সব কিছুতে যাচ্ছেতাই অবস্থা। অথবা ভাই, আমি আসলেই সরকারি চাকুরী করতেই পছন্দ করি। নয়তো, ভাই, আমি আসলে শিউর না কি করবো, আপাততঃ বন্ধুরা পড়তেসে লাইব্রেরীতে, আমিও পড়ি আর কি! দেখিনা কি হয়! নাহলে, ফ্যামিলি চায় আমি সরকারি চাকুরীতে যাই, তাই প্রস্ততি নিচ্ছি।
এ সব গুলা সিচুয়েশনের মাঝে একটা কমন প্যাটার্ন হলো একটা ফিক্সড মাইন্ডসেট। হয়তো, নিজে ধরেই নিয়েছে আমার কোন মতে কিছু একটা হলেই হলো, অথবা আমি আসলেই এর বাইরে কিছু দেখিনা। আচ্ছা, আমরা কেন একটা ব্যপার ভাবিনা যে, আমি যদি ৪ বছর ব্যাচেলরের পাশাপাশি সরকারি জবের প্রিপারেশন নিলে তার পরে আরও ২/৩ বছর অপেক্ষা করে কোথাও জয়েন করতে পারি, তাহলে সে আমিই কেন নিজেকে একটু বিশ্লেষন করে হুজুগে না দৌড়ে সব দিক ভেবে নিজের পছন্দের ক্যারিয়ারের প্রিপারেশন নিলে এ ক’বছরে কি নিজেকে যোগ্য করে তুলতে পারতাম না? না পারার আসলে কোন কারণ আছে কি? যে ডেডিকেশন দিয়ে একদিকে গড়পাড়তা প্রস্তুতি চলে, সে ডেডিকেশনের ৩ ভাগের ১ ভাগ পরিকল্পিত ভাবে দিলে অনার্স শেষ করেই নিজের পছন্দের জবে ঢুকা সম্ভব হবে। হ্যাঁ, হয়তো কথা আসবে এক্সপেরিয়েন্স ছাড়া নেয়না, কিন্তু কেউ না কেউ তো নেয় বা নিচ্ছে। হয়তো শুরুতে অনেক বড় কোন কিছু দিয়ে শুরু করা যাবেনা, কিন্তু সময়ে হয়ে যাবে।
আমাদের মাইন্ডসেট পরিবর্তনের কিছু চেষ্টা করতে হবে। ৪/৫ লাখ পরিক্ষাত্রীর সাথে পাল্লা দিয়ে আমাকে সে ক্যাডার/ফার্স্ট ক্লাসেই যাওয়া লাগবে নাকি পুরো দুনিয়াটা যে খোলা সেদিকে খেয়াল রাখবো সেটা একান্তই মাইন্ডসেটের উপর নির্ভর করে। একটু একটু করেই বদলানো শুরু হউক।
এখানে কি কেউ আছে, যিনি এখন আন্ডারগ্রেডে/ডিগ্রীতে পড়াশুনা করছেন আর নিজেকে প্রস্তুত করছেন নিজের ড্রিম সেক্টরের জন্য? জানাতে পারেন কমেন্টে। এ যাত্রায় আমি অন্তত পাশে আছি।
#UnemploymentinBD #CareerinBD #taninzaid #taninzaidblogs









