অনার্স বা মাস্টার্সে পড়াশুনাকালীন অথবা শেষ করে আমরা বেশির ভাগই হাত খরচ চালানো /ফ্যামিলিতে কন্ট্রিবিউট করার জন্য টিউশন বা কোচিং সেন্টারে পড়ানোকেই বেছে নেই। এতে আপত্তির কিছু নেই কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এ বিশাল অভিজ্ঞতাটা সিভি বা কোথাও এপ্লাই করার সময় দেখানোর সুযোগ থাকেনা। অনেকেই বলেন যে ৩/৪ বছর সরকারি চাকুরীর প্রস্তুতি নিতে নিতে জাস্ট কয়েকটা টিউশনি করেছি, এখন এটা বিদেশে এপ্লাই করতে কিভাবে দেখাবো।এটা নরমালি দেখানোর সুযোগ কম, তবে চাইলে টিউটোরিং হিসেবে দেখাতে পারেন। প্রশ্ন হচ্ছে, এ টিউশন বা কোচিং এ পড়ানো ছাড়া আর কি করা যায়, যেগুলা দিন শেষে একটা জব (প্রাইভেট) বা বিদেশে পড়তে আসার জন্য কাজে লাগবে।
কিছু আইডিয়া দিতে পারি, যদিও অনেকে দেশে সম্ভব না বলে বাদ দিয়ে দিবে, আবার হয়তো কিছু আন্ডারগ্রেডের মানুষজন সেভাবে চেষ্টা করবে কিছু করার-
১। পার্ট টাইম জব- যে কোন পছন্দের প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করে দেখা যায়। হয়তো টাকা কম দিবে আর কাজ বেশি, তাও দিন শেষে অভিজ্ঞতা সেল করা যাবে
২। ইন্টার্নশিপ- অনেকে হয়তো বলবে দেশে পার্ট টাইম নাই ভাই, তাহলে ইন্টার্নশিপ এর ট্রাই করেন। এখানে পোলাপাইন অনার্স শেষ করতে করতে ২/৩ টা ইন্টার্নশিপ করে ফেলে আর ব্যাচেলর শেষ করে ওগুলার কোন একটায় জয়েন করে। পেইড ইন্টার্নশিপ দেশে ও করা যায়
৩।নিজের সেক্টরের যে কোন ধরণের কাজে খন্ডকালীন কন্ট্রাকচুয়াল কাজ- কিছু কাজ ছিল ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে, হায়ার করে ২/৩ সপ্তাহের জন্য। হয়তো ফিল্ডে ডেটা কালেকশনের জন্য পাঠায়। এগুলায় খুব বেশি পে করেনা কিন্তু অভিজ্ঞতার সনদপত্র দেয় আবার কানেকশন তৈরী হয়
৪। ভলন্টিয়ার করা- কিছু কাজ থাকে, যেগুলায় পে করেনা কিন্তু অভিজ্ঞতার সনদ দেয়, সেগুলা ও ইফেক্টিভ ভাবে কাজে লাগানো যায়
৫। নিজের ছোটখাট উদ্যোগ- যদি কারো আগ্রহ থাকে নিজের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করার, তাহলে ই-কমার্স/এফ-কমার্সে ট্রাই করতে পারেন। হউক না খুব ছোট কিছু, কিন্তু শুরু করে একটু একটু আগাতে সমস্যা কোথায়? ভালো কিছু হলে তো হলোই, না হলে এ অভিজ্ঞতা দেখিয়ে হয়তো কিছু একটা করা যাবে
পরিশেষে, যারা এ পোস্ট পড়েই ভাবছেন এগুলা আমাকে দিয়ে হবেনা, তাহলে কিছু বলার নেই। কিন্তু যারা অন্যভাবে ভাবতে পারো, তারা এমন কিছু ট্রাই করতে পারো। হলফ করে বলতে পারি, কাজে লাগবে বেশ!
#IncomeSource #CareerinBD #taninzaid









