
বিদেশের ভার্সিটিতে মাসে ফান্ডিং কত টাকা দিবে সেটা যে সব কিছুর উপর নির্ভর করে
বিদেশে আমরা যারা পড়তে আসি আর ফুল/হাফ ফান্ড পেয়ে পড়াশুনা করি, আমরা আসলে এদেশের গরীব ক্যাটাগরিতেই পড়ি। আমাদের যে ইনকাম

বিদেশে আমরা যারা পড়তে আসি আর ফুল/হাফ ফান্ড পেয়ে পড়াশুনা করি, আমরা আসলে এদেশের গরীব ক্যাটাগরিতেই পড়ি। আমাদের যে ইনকাম

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় পাব্লিক, প্রাইভেট, ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি একটা ডিভাইড আছে। এক ভার্সিটি অন্যদের চেয়ে সুপিরিয়র মনে করে এবং চাকুরীর বাজারে

একটা ব্যপার নিয়ে সবাই বলে যে দেশে প্রায় ৮০%-৯০% বাচ্চা সিজারে জন্ম নেয়। এ পরিসং্খ্যানের একুরিসি জানিনা তবে আসলেই যত

আমেরিকান এ্যাম্বাসীতে এখন এফ১ এ অগাস্টের সেশনের ইন্টারভিউ চলছে এখন। কি জিজ্ঞেস করে এ ইন্টারভিউ তে? ফুল-ফান্ডেড থেকে শুরু করে

রেকমেন্ডেশন লেটার বা সুপারিশ পত্র বিদেশের ভার্সিটি অথবা যে কোন স্কলারশিপ এপ্লিকেশনের সময় অথরিটি এক বা একাধিক রেকমন্ডেশন লেটার চায়।

আমেরিকাতে সিস্টেম হলো ওয়াইফ এর ডেলিভারি রুমে হাসব্যন্ড কে অনেকটা বাধ্যতামূলক ভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। শুধু থাকলে আর বসে থাকলে

আমরা সারা জীবন খুজে বেড়াই নিজেরা কি পারিনা, কি নেই, ঘাটতি কিসে আর নিজেদের ক্যাপাসিটি/যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করি। সাথে যোগ

আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব চাই, আমার ছোট বড়, আত্মীয় অনাত্মীয়, বন্ধু-বান্ধবী, পরিচিত, অপরিচিত সবাই জীবনে, ক্যারিয়ারে আমার চাইতে অনেক ভালো করুক।

দেশে বসে পাব্লিশ করলে উচ্চ-শিক্ষার প্যাকেজে একটা হেল্প হলো এডমিশন ও ফান্ড পেতে সহজ হয়। আরেকটা বড় উপকার হলো আমেরিকায়

দেশের পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এখন একটা মোটামুটি সংখ্যক স্টুডেন্ট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনা। মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ছাড়া বাকী

ইন্টারনেটে প্রতিদিন আর যা করি না করি অনেক বার গুগল করতে হয়। একটা টার্ম বুঝতেসিনা তো গুগল, কিছু নিয়ে আইডিয়া

দেশে অনার্স শেষ করার পরে ১ বছরের রেগুলার মাস্টার্স টা অনেক ক্ষেত্রে শুধু শুধুই। বিশেষ করে যদি উচ্চ-শিক্ষায় আসার ইচ্ছে


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus