
ফুল-ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য এশিয়ার কোন দেশগুলো ভালো?
বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ইউরোপ-আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ফুল-ফান্ডেড অফার দিয়ে থাকে।

বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ইউরোপ-আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক ফুল-ফান্ডেড অফার দিয়ে থাকে।

নিউজিল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের কাছে উন্নত উচ্চশিক্ষা, নিরাপদ পরিবেশ এবং গবেষণার ভালো সুযোগের জন্য জনপ্রিয়। বিশেষ করে রিসার্চ মাস্টার্স প্রোগ্রামগুলোতে স্কলারশিপ,

উচ্চশিক্ষার জন্য নর্থ আমেরিকা, ইউকে, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি সাউথ আমেরিকাও হতে পারে একটি বিকল্প সুযোগ। বিশেষ করে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা,

অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক র্যাংকিং, গবেষণার সুযোগ, ইংরেজি ভাষার পরিবেশ, পড়াশোনার

বিদেশে পড়তে গেলে অনেক শিক্ষার্থী ধরে নেন যে বিদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথেই একটা জব ম্যানেজ হয়ে যায়! কিন্তু

কাতার সরকারি স্কলারশিপে ২০২৬-২০২৭ সেশনে আবেদন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশসহ সকল উন্নয়নশীল দেশগুলো আবেদন করতে পারবে। ফুল টিউশন ফি ও লিভিং

ইউরোপের অনেক দেশেই ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হিসেবে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ রয়েছে। তবে কাজের অনুমতি, সময়সীমা ও শর্ত দেশভেদে আলাদা।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা চাকরির জন্য ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য থাকে পড়াশোনা শেষে Permanent Residency (PR) পাওয়া। তবে

অনেকেরই ধারণা, অস্ট্রেলিয়ায় শুধু STEM (Science, Technology, Engineering, Mathematics) ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদেরই ভালো সুযোগ রয়েছে। তবে বাস্তবে বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনে Statement of Purpose যাকে সংক্ষেপে SOP বলা হয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ডকুমেন্ট। এটা এমন একটা ডকুমেন্ট, যা

অনেকেই মনে করেন, জার্মানিতে শুধু Engineering, Computer Science বা অন্যান্য STEM (Science, Technology, Engineering, Mathematics) বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই সুযোগ রয়েছে।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে অনেকের প্রথম প্রশ্ন থাকে—”বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং কি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?” সংক্ষিপ্ত উত্তর হলো: না, তবে অনেক দিকে


John F. Kennedy

Professor Muhammad Yunus